আশা করি বাংলাদেশে আর কেউ হাসিনাগিরি করবে না। এই বাংলাদেশ হবে তোমার আমার। প্রত্যেক নাগরিক পাবে সমঅধিকার এবং মর্যাদা।
বিগত ১৫ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনের এই ক্ষত সারিয়ে তোলার জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার মত একটা ট্রুথ এন্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করতে হবে।
সাধারণ আওয়ামী-সন্ত্রাসী, গুন্ডাদের বাইরে থাকবে গণহত্যার অপরাধে অভিযুক্ত নেতৃবৃন্দ। তাদেরকে গণবিচারের সম্মুখীন করতে হবে।
তার আগে, যথাশীঘ্র সম্ভব খুঁজে বের করতে হবে সেই গণকবরগুলোর ঠিকানা, যেখানে ডাম্প করা হয়েছে আন্দোলনকারী এবং নিরীহ ছাত্রজনতার অগণিত লাশ। স্বজন হারানো মানুষগুলো অন্ততপক্ষে গলিত লাশটা যেন দাফন করতে পারে তাদের বাড়ির আঙ্গিনায় বা পারিবারিক গোরস্থানে কিংবা এলাকায়।
ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীনতা লাভের ২৫ বছরের মাথায় ১৯৭১ সালে দেশটা আবার স্বাধীন হয়েছিল। দ্বিতীয় স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর দেশটা আবার তৃতীয়বারের মতো স্বাধীন হলো।
কেউ যেন এই স্বাধীনতা আর ছিনিয়ে নিতে না পারে। চাই, বাংলাদেশ হোক একটা উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
বিকেল তিনটে
৩৬ জুলাই ২০২৪
