চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সদ্য পদত্যাগী মেয়র মহীউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামকে সিঙ্গাপুর বানানোর কথা বলেছেন। এতে আমরা চাটগাঁইয়ারা খুব খুশি। তবে এখানে সমস্যা হলো সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া হতে নিয়মতান্ত্রিকপন্থায় স্বাধীনতা লাভ করেছে। লি কুয়ান তৎকালীন মালয়েশিয়ার ক্ষমতাসীন দলের নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন সিঙ্গাপুরের নেতা। আর মহীউদ্দিন চৌধুরী হচ্ছেন কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি। তবে তাঁর দল যেহেতু ক্ষমতায়, তিনি কি পারবেন সংসদের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে স্বাধীন করে নিতে?
স্মর্তব্য, সিটি গভর্নমেন্টের ধারণা দিয়ে তিনি ১৭ বছর কাটিয়েছেন। এই সিটি গভর্নমেন্ট আদৌ কখনো হবে কিনা কেউ জানে না। অবশ্য এর প্রয়োজনীয়তা কী, সেটি চট্টগ্রামবাসী জানে না। মহীউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের এক অনার্স পরীক্ষায় নকলের দায়ে বহিস্কৃত হবার পর হতে শ্রমিক নেতা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর কোনো ব্যবসা-বাণিজ্যের কথা শোনা যায়নি। অলৌকিকভাবে তিনি চট্টগ্রামের অন্যতম ধনী ব্যক্তি। আমরা, চট্টগ্রামবাসী একজন লি কুয়ান পেলে ধন্য হতাম। কিন্তু মহীউদ্দিন চৌধুরী? কী আর বলবো! কথায় বলে, ‘কোথায় গাছের আগা আর কোথায় চৌকির তলা’। স্বীয় রাজনৈতিক বিরোধীদের অর্ন্তদ্বন্দ্ব ছাড়া যার বিশেষ কোনো পুঁজি নাই। অবশ্য, ড্রেনের উপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মতো উর্বর কাজের জন্য তিনি যথার্থই কৃতিত্বের দাবিদার।
মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য
সেতূ: ফেরাউন (মহীউদ্দিন চৌধুরী) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশানকে মিশর বানাবে আর পাহাড় সব কেটে ফেলে মাত্র তিনটি রাখবে এবং সেগুলোকে পিরামিড বানাবে…
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক: যেমন করে ঐতিহাসিক চেরাগীর পাহাড় কেটে মন্যুমেন্ট বানিয়েছে।
সামহয়্যারইন ব্লগে প্রথম প্রকাশিত
