গণতন্ত্র তথা প্লুরালিজেমর এ যুগে সমাজ ও জন-জীবনের জন্য নিতান্ত ক্ষতিকর না হলে কোনো কণ্ঠ রোধ করা; তথা কোনো প্রকাশনা নিষিদ্ধ করা ভুল। প্রকাণ্ড ভুল।
নির্বাচিত সরকারের কাছ হতে অগণতান্ত্রিক আচরণ মোটেও কাম্য নয় । আমি বলবো না, এটি আওয়ামী লীগের পক্ষে নিতান্ত সম্ভব। যেন বিএনপি’র পক্ষে এ ধরনের কাজ অসম্ভব! বিএনপি তো গত টার্মে ইটিভি’র ব্যাপারে অলরেডি সেটা করেছে। তাঁরা ইটিভি’র টেরিস্ট্রেরিয়্যাল সুবিধা বাদ দিয়ে সেটিকে স্যাটেলাইটে রাখতে পারতো। কিন্তু তা করেনি। কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল অপজিশন কিল করা। একই কাজ করেছে আওয়ামী লীগ।
কণ্ঠ রোধ করার এই ধারাটি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। এটি বাদ দিতে হবে। কে শুরু করবে। ঘণ্টা কে বাধবে? অবভিয়াসলি পার্টি ইন পাওয়ার।
ক্ষমতা যার বা যাদের হাতে আছে, তারা যদি ভাল কাজে নেতৃত্ব না দেয়, তাহলে অন্যদের উচিত হবে যার যার অবস্থান হতে প্রতিবাদ করা, জোট বেধে প্রতিরোধ করা।
অন্যরা যদি এগিয়ে না আসে? তখনও ব্যক্তির উচিত প্রতিবাদ অব্যাহত রাখা; যা প্রতিরোধে রূপ নিতে পারে।
সত্যের সাথে মিথ্যার কখনো আপোষ হতে পারে না। ট্রুথ হেজ টু বি প্রিভেইল্ড। এ্যজ এ মেম্বার অব দ্যা সোসাইটি, আওয়ার ডিইটি ইজ টু আপহোল্ড দ্যা রাইট কজ। হোয়াট ইজ দি রাইট কজ? দ্যাট আওয়ার কনশ্যানস টেলস অ্যাবাউট।
