বুয়েটের আবরার ফাহাদ। রংপুরের আবু সাঈদ। চট্টগ্রামের ওয়াসিম। ঢাকার মুগ্ধ। সর্বশেষ গতকাল বরিশালের ওসমান। ‘ইনকিলাব মঞ্চে’র মুখপাত্র ওসমান হাদী।
এভাবেই কি আমরা একে একে হারাতে থাকবো আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে?
আমাদের আরো কত সন্তানের হৃৎস্পন্দন এভাবে বন্ধের পরে থামবে এই মৃত্যুমিছিল? আর কত? কতদিন আর চলবে এই প্রতিরোধযুদ্ধ, আধিপত্যবাদবিরোধী এই লড়াই?
আর কোনো ওসমান হাদি যাতে না মরে, এভাবে ঝরে না পড়ে জীবনের বৃন্ত থেকে, আততায়ির গুলির আঘাত কিংবা ছুরিকাঘাতে, সেই বন্দোবস্ত করতে হবে যে কোনো মূল্যে।
হে আরশের অধিপতি, আমাদের সন্তানদেরকে বাঁচিয়ে রাখো। তোমার রহমতের নিরাপত্তাচাদরে তাঁদেরকে ঢেকে রাখো নিশ্ছিদ্রভাবে।
পিতার সমুখে পুত্রের নিহত হওয়া, এই অসহ্য বেদনা থেকে মুক্তি দাও আমাদের। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হায়াত দারাজ করো, বাঁচিয়ে রাখো আমাদের প্রতিটি নিষ্পাপ সন্তানকে …!
আমাদের প্রতিটি সন্তান যাতে বেঁচে থাকে আমাদেরই মতো পরিণত বয়স অবধি, পূর্ণ করার তৌফিক দাও তাদের জীবনবৃত্ত, এই দোয়া করি, নিরাশ্রয়ের আশ্রয়, অনন্ত অসীম দয়াময় হে প্রভু, তোমার সমীপে!
মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য
Abdul Baten: Should be write neutrally why did not mention Mugdo and WASIM?
Mohammad Mozammel Hoque: আবু সাইদের নাম প্রতীকী হিসেবে নেয়া হয়েছে। ঠিক আছে মুগ্ধ এবং ওয়াসিমের নাম যুক্ত করে দিচ্ছি। যুক্ত করার তালিকা তো শেষ হবার নয়, যেভাবে শেষ হবার নয় আমাদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ! তাদের জন্যে! আমাদের সব শহীদদের জন্যে!
