গল্পটা আপনি জানেন। এক লোক দুই কেজি গোস্ত রান্না করতে দিছে। রান্নার পর দেখা গেল, দেড় কেজি গোস্ত নাই হয়ে গেছে। ‘এত গোস্ত কোথায় গেল?’ – মালিকের এই প্রশ্নের উত্তরে পাচক বললো, ‘গোস্ত খেয়েছে আপনার বিড়ালে’। তখন বিড়ালের ওজন নেয়া হলো। দেখা গেল, বিড়ালের ওজনও দেড় কেজি।
এই কান্ড দেখে মালিক তার পাচককে বললো, ‘এই দেড় কেজি যদি সেই গোস্ত হয় তাহলে আমার বিড়ালটা কোথায় গেল?
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাটাপাহাড়ের একপাশে সম্প্রতি নির্মিত একটি ‘স্বাস্থ্য সচেতন’ ফুটপাত ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাস্তার সাথে ফুটপাত থাকার সিস্টেম নাই।
সেই আমলের চিপা রাস্তাগুলোতে গাড়িও চলে, মানুষজনও হাঁটে। আমার প্রশ্ন, রাস্তা বলে যা আছে সেটা যদি হাঁটার জন্য হয়, তাহলে গাড়ি চলবে কীভাবে? আর যদি সেগুলো গাড়ি চলার রাস্তা হয়, তাহলে মানুষজন হাঁটবে কিসের উপর দিয়ে?
করিৎকর্মা চবি প্রশাসন, এবং চাকসু’র যোগাযোগ সম্পাদকের নানা উদ্যোগ দেখে বিড়াল আর গোস্তের গল্পটা মনে পড়ে গেল।
ছবিটা প্যারিস রোড, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি যতগুলো সুবিধা পাবেন তার অন্যতম হলো সুন্দর বাঁধানো ফুটপাত। রাস্তার দুই পাশে রীতিমতো দুই লেইনের ফুটপাত।
কথায় বলে, ঘর নাই, দুয়ার দিয়ে ঘুমায়। ফুটপাতের কোনো খবর নাই, চলছে নানারকমের যানবাহন নামানোর ব্যবস্থা। আমাদের এখানে ফুটপাত থাকলে রাস্তা নাই। রাস্তা থাকলে ফুটপাত নাই। তাতে অবশ্য আমাদের কিছু করারও নাই। হুদাই সময় নষ্ট।

