সেক্সিস্ট ব্যক্তি সেক্সুয়াল আইডেনটিটির ভিত্তিতে মানুষকে বিচার করে। ডিস্ক্রিমিনেইট করে।
সেক্সিস্ট হওয়াটা রেইসিস্ট হওয়ার মত একটা মন্দ সামাজিক প্রবণতা, যার দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বা বিশেষ কোনো শ্রেণীর মানুষ আক্রান্ত (biased) হতে পারে।
এরই আলোকে আসুন আমরা একটু পরখ করে দেখি, নারীরা, বিশেষ করে আধুনিক শিক্ষিত নারীরা সেক্সিস্ট কি-না।
নিতান্ত বিরল ব্যতিক্রমবাদে একজন নারীর জীবনে শ্রেষ্ঠ মানুষ হচ্ছে তার বাবা। তার মা। পুরুষদের মধ্যে বাবা হলেন সেরা মানুষ। এরসাথে আছে তার ভাই। ছেলেসন্তান থাকলে তার পুত্র। আর, স্বামী?
ক্ষেত্রবিশেষে বাবা, ভাই ও পুত্রের মতো স্বামীও প্রিয়। কিম্বা তারচেয়েও বেশি। ক্ষেত্রবিশেষে, সম্ভবত অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বামী ভদ্রলোক হচ্ছেন দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ মানুষ। সংশ্লিষ্ট নারীর জীবনে সব খারাপ কিছুর জন্য দায়ী।
স্বামী ছাড়া একজন নারীর ব্যক্তিগত জীবনের পরিমণ্ডলে যত পুরুষ থাকে তারা বাই-জেন্ডার পুরুষ হলেও উক্ত নারীর জীবনে তাদের ভূমিকা এসেক্সেুয়্যাল তথা সেক্সুয়ালিটি-মুক্ত। তারা মূলত উক্ত নারীর প্রটেক্টর-প্রোভাইডার। এর বিপরীতে, স্বামীর সাথে স্ত্রীর সম্পর্ক যৌনতানির্ভর সম্পর্ক।
যাদের স্বামী নাই, কিম্বা যারা কাউকে স্বামিত্বে বরণ করে নিতে প্রস্তুত নন, তারা পুরুষদেরকে কীভাবে দেখে?
পুরুষ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তারা যা বলে তাতে করে দৃশ্যত মনে হতে পারে, দুনিয়াতে গুড হাজবেন্ড-ম্যাটেরিয়াল হওয়া ছাড়া পুরুষদের ভালো হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। এবং বিয়েবিরোধী (গেমোফোবিক) নারীদের দৃষ্টিতে পুরুষমাত্রই মূলত খারাপ। রিয়েলি খারাপ অথবা পটেনশিয়্যালি খারাপ। তারা মনে করে, ভালো পুরুষ থাকলেও থাকতে পারে। তবে তারা ব্যতিক্রমী। বিরল।
এ’ধরনের ‘পুরুষবিরোধী’ নারীদেরকে যখন তাদের বাবা, ভাই এবং পুত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন, দেখবেন, তারা বলবে, ‘হ্যাঁ, আমার বাবা ভালো মানুষ।’ জিজ্ঞেস করলে বলবে, ‘হ্যাঁ, আমার ভাইও খুব ভালো।… আমার ছেলেটা তো আমার জীবনের সবকিছু। আল্লাহর দেয়া আমানত। নেয়ামত’।
যত আপত্তি তার স্বামীকে নিয়ে। খুব কম মেয়েই তার স্বামীর ব্যাপারে সন্তুষ্ট। পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সবচেয়ে সফল পুরুষটিকেও তার স্ত্রী, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিতান্ত বেকুব ও অপদার্থ বলে মনে করে।
প্রশ্ন হতে পারে, কেন অধিকাংশ ক্ষেত্রে অধিকাংশ নারী ধরেই নেয়, পুরুষ-প্রসঙ্গ মানেই জামাই-রিলেটেড কোনো ব্যাপার? পুরুষ নিয়ে আলোচনাতে বাইডিফল্ট সে কেন বাবা, ভাই ও পুত্রকে প্রাইমারিলি এক্সক্লুড করে? এরা কি পুরুষ নয়? সে কি মনে করে, তার বাবা, ভাই কিম্বা পুত্র নপুংসক, তাদের পৌরুষত্বে ঘাটতি আছে?
তাদের সাথে যেহেতু যৌনতার সম্পর্ক না, তাই পুরুষ সংক্রান্ত ভাবনায় কিংবা কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তারা পরিবারের পুরুষ সদস্যদেরকে এক্সক্লুড করে চিন্তা করে। যেন যৌনতার সম্পর্কের বাইরে কোনো পুরুষ দুনিয়াতে এগজিস্টই করে না।দ
এবার নিশ্চয়ই শুরুর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছেন।
একটা ছোট্ট নোট, ‘স্বামী তার স্ত্রীর প্রটেক্টর-প্রোভাইডার’ শুনলেই যারা ট্রিগার্ড হয়ে যান, তাদের জন্যে।
কেউ কারো প্রটেক্টর-প্রোভাইডার হওয়া-না-হওয়ার সাথে জেন্ডারের কোনো সম্পর্ক নাই। মা তার সন্তানদের প্রটেক্টর-প্রোভাইডার। নেতা বা জিম্মাদার তার দায়িত্বের আওতাভূক্ত ‘অধীনস্তদের’ ওপরে কর্তৃত্বের অধিকারী প্রটেক্টর এন্ড প্রোভাইডার। একইভাবে স্বামী তার স্ত্রী ও সন্তানদের প্রটেক্টর-প্রোভাইডার। স্ত্রী তার স্বামীর সম্পদ ও সন্তানাদির প্রটেক্টর ও প্রোভাইডার।
কেউ কারো প্রটেক্টর-প্রোভাইডার হলে অটোমেটিক্যালি সে ‘অধীনস্ত’ প্রটেক্টেড ও প্রোভাইডেডদের ওপরে সুপেরিয়র হয়ে যায় না। কখনো হয়। কখনো হয় না। কেউ কারো ওপরে সুপেরিয়র হওয়া কিম্বা কেউ কারো তুলনায় ইনফেরিয়র হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটা খুব শার্পলি কনটেক্সটনির্ভর।
এরচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দুনিয়াবি তথা ব্যবস্থাপনাগত দিক থেকে সুপেরিয়র-ইনফেরিয়র হওয়ার সাথে কারো নৈতিক মান ও মর্যাদাগতভাবে সুপেরিয়র হওয়া কিম্বা ইনফেরিয়র হওয়ারও কোনো অনিবার্য সম্পর্ক নাই। অনেক অনেক উদাহরণ দিয়ে এটি বুঝানো যায়।
আপাতত আপনারা নিজেরাই বুঝে নেন। ভালো থাকেন।

মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য
Mohammad Mozammel Hoque: সামাজিক বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা তে আমরা একটা সাধারণ ভুল করি। সেটি হচ্ছে, আমরা ব্যতিক্রমী বিষয়কে নিয়ে এসে একটা সাধারণ ট্রেন্ডকে নাকচ করার চেষ্টা করি।
অধিকাংশ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে কী করে, ব্যাপারটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে কী রকম, সেটার ওপর নির্ভর করবে বিষয়টাকে একটা সোশ্যাল ট্রেন্ড হিসেবে আমরা গ্রহণ করবো, নাকি করবো না।
অধিকাংশ নারীরা তাদের বাবাদেরকে আদর্শ পুরুষ বলে মনে করে, ইফ আই এম নট রং। তাদের ভাইদের বেপারেও তারা অনেক বেশি পজিটিভ। আর পুত্র সন্তানের প্রতি মায়ের পক্ষপাতিত্ব একেবারেই অবভিয়াস।
নারীদের সম্ভাব্য সকল অভিযোগ এবং সমস্যা তাদের স্বামী, সেকুলার ভাষায় তাদের পার্টনারদের ব্যাপারে।
দৃশ্যত ব্যাপারটা এমনই দেখা যায়। ব্যতিক্রম থাকতেই পারে।
আনলাইক ন্যাচারাল সায়েন্স, সোশ্যাল যে কোনো ব্যাপারে ব্যতিক্রম থাকবেই। আমাদেরকে দেখতে হবে কোনটি মূলধারা, কোনটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ।
হতে পারে কোন সমাজে মেইন-ট্রেন্ড ভুল কিংবা অগ্রহণযোগ্য, ব্যতিক্রমটাই সঠিক। হতে পারে কোনো সমাজে মূলধারার বিষয়গুলোই সঠিক এবং নীতিসম্মত, ব্যতিক্রমী যা আছে তা ভুল।
নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে এক্সক্লুসিভ আলোচনা ছাড়া বলা মুশকিল, কোনটা আসলে কী রকম।
Zahedul Islam Talukdar: সরাসরি উত্তর না দিয়ে, পুরো আলোচনা যেভাবে টেনে নিয়ে গিয়ে পাঠকের কাছে ছেড়ে দিয়েছেন। এটা দারুণ লেগেছে। উত্তর খুব স্পষ্ট। তবে এ কৌশল পাঠকের মনকে সজাগ ও সচেতন করতে বাধ্য করবে।
Golam Sarwer Litton: লেখাটা যেভাবে এগুচ্ছিল, পরে অসম্পূর্ণ লাগলো। আরো চাই।
Mohammad Mozammel Hoque: দেখেন, জমানা যা খারাপ তাতে করে ‘ঝেড়ে কেশে’ তো কথা বলা যায় না। কথা বলতে হয় কৌশলে। আরেকটা সমস্যা, অডিয়েন্স তো ফিক্সড না। নানা ধরনের। তাই, সামনাসামনি কথা ও আলাপ-আলোচনায় যেভাবে এক্সচেঞ্জ অফ ভিউজ সম্ভব হয় সেটা তো এখানে হয় না। সোশ্যাল মিডিয়া হলো অন্ধকারে কথা বলার মতো একটা ব্যাপার। বুঝতেছি না কীভাবে আগ্রহী পাঠকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় …!
Ajit Debnath: সেক্সিস্ট এর প্রতিকার কি? কোনো উপায়ে স্বাভাবিক হওয়া যায় না?
Mohammad Mozammel Hoque: হ্যাঁ যায়। যুক্তি, বুদ্ধি এবং ন্যায়-নীতির নির্মোহ চর্চা ও প্রয়োগের মাধ্যমে।
Engr Hassan Saki: আসল প্রশ্ন নারীরা কি সেক্সিস্ট? এর উত্তর মিলল না।
Mohammad Mozammel Hoque: আমি একটা প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছি। সিদ্ধান্ত যার যার।
MD Jahid Fahim: আমার মনে হয় এ ধারণা এবং সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় পাল্টা আরেকটা এক্সট্রিম থেকে। আমাদের সমাজ অনেকটা পুরুষতান্ত্রিক। (কিছু টিপিকাল নারীবাদীদের বর্ণনার এক্সট্রিম পুরুষতান্ত্রিক না হলেও কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক)
সমাজের ভালো খারাপের বিচার এবং ফ্রেমিংটা তৈরি হয় পুরুষকে কেন্দ্র করে। যার কারণে প্রোভাইডার কিংবা যেকোনো সুন্দর লজিক্যাল শব্দ/সম্পর্কের কথা চিন্তা করলেও জিনিসটাকে ওই “খারাপ পুরুষের” সাথে মিলায় ফেলা হয়।
Mohammad Mozammel Hoque: curious mind cannot resist questions like, সমাজটা যদি পুরুষতান্ত্রিক না হয় তাহলে কি মাতৃতান্ত্রিক হবে? নাকি, এতদুভয়ের মাঝামাঝি ক্লিবতান্ত্রিক জাতীয় কিছু একটা হলে ভালো হবে? পুরুষতন্ত্রের আছে কিংবা থাকবে পুরুষতান্ত্রিক সমস্যা। একইভাবে নারীতন্ত্রে থাকবে নারীতান্ত্রিক সমস্যা। তাহলে সমাজটা চলবে কীভাবে?
M Suborna: Once a victim, always a victim! So জন্মগতভাবে বা সমাজব্যবস্থার বাস্তবতার কারণে নারীরাই চতুর্দিক থেকে victim! যার জন্য পুরুষ খারাপ এটা বলা একেবারে অযৌক্তিক নয়! তবে এর অর্থ এই নয় যে সব পুরুষ একই রকম বরং সমস্যার মূল হলো সামাজিক কাঠামো যেখানে সুপেরিয়র বা ইনফেরিয়র ধারণাটা জন্মগতভাবেই পাওয়া হয়ে যায়।
Mohammad Mozammel Hoque: সমাজ ও রাষ্ট্রে ভিক্টিম কেবলই নারী? যদি আমরা একমত হই, মজুরেরা মালিকের হাতে ভিক্টিম, জনগণ নেতাদের হাতে ভিক্টিম, তাহলে দেখা যাবে, নির্যাতিত হওয়া কিংবা নির্যাতন করার ব্যাপারটা বহুমাত্রিক ব্যাপার। একরৈখিক কোনো ব্যাপার নয়।
যেখানে নারী এমপাওয়ার্ড সেখানে নারীই অপ্রেসার। এমনকি তাঁর অধীনস্ত নারীদের ব্যাপারেও। উদাহরণ এত বেশি যে এ’নিয়ে অধিকতর আলোচনা নিষ্প্রয়োজন।
আমার কাছে অবাক লাগে, নারীরা ইন জেনারেল ‘নারী’ বলতে সদ্যবিবাহিত কিংবা বিবাহপ্রার্থী নারীকেই বোঝেন? তাদের নারী ধারণার মধ্যে অপরাপর নারীরা নাই কেন?
এখানেই সেক্সের প্রসঙ্গটা চলে আসে।
কারণ, স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কের বাইরে যে নারী, সে নারী তো বাই-জেন্ডার নারীই। অথচ, যখন নারীর সুবিধা-অসুবিধার কথা আলোচনা করা হয়, নারীর সুরক্ষার জন্য কিছু একটা করার কথা আসে, তখন কোনো পুরুষের সাথে কার্যত কিংবা সম্ভাব্য যৌন সম্পর্কের আওয়তায় আসে না, এমন নারীদের কথা সাধারণত ভাবা হয় না। তারা ফোকাসে আসে না।
তারা বরং পুরুষপক্ষের প্রতিনিধি গণ্য হয়ে যায়…!
পুরুষের ক্ষেত্রেও ব্যাপারট অনুরূপ। যৌন সম্পর্কের আওতায় আসে না এমন পুরুষ, ‘পুরুষ’ সংক্রান্ত আলোচনা ও বিবেচনার বাইরে থাকে। যেন তারা পুরুষ নন।
একজন হাজবেন্ড কি একজন নারীর শুধুই যৌনসঙ্গী? সে কি উক্ত নারীকে বাবা, ভাই কিংবা পুত্রের সার্ভিসগুলো দেয় না? যতদূর জানি, একজন আদর্শ স্বামী হলো সে ব্যক্তি যে শুধু সেক্সই করে না, সে নারীকে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও সমর্থনও দেয়।
আর সুপেরিয়র ইনফেরিয়র হওয়ার বা ধারণা করার ব্যাপারটা আদতে কি খারাপ কিছু? হায়ারআর্কি ছাড়া কি জগত চলে? এবং এই হায়ারআর্কি কি শুধু লিঙ্গগত?
বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে।
Meem Mizan: নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। অথচ এগুলো আমরা প্রতিনিয়তই ফেস করে আসছি।
Mohammad Mozammel Hoque: সেক্সিজম যদি না হয় তাহলে স্বামীকে অন্য পুরুষদের থেকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করার, বিশেষ করে খারাপ ভাবে মূল্যায়ন করার কারণ কী হতে পারে?
Sabeeb Hussain Saad: বোল্ড এন্ড রিয়েলিস্টিক। একইভাবে, বর্তমান সময়ে অনেক নারীকে যখন পুরুষতন্ত্র বা পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে তীব্রভাবে সরব হতে দেখা যায় তখনও তাদের ক্ষোভ ও আলোচনার মূল লক্ষ্যবস্তু থাকে কেবল স্বামী কিংবা প্রেমিক।
আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এই বৃহত্তর কাঠামোগত লড়াইয়েও তারা তাদের নিজের বাবা, ভাই কিংবা পুত্রকে এক্সক্লুড করেন। তাদের বাবা, ভাই কিংবা পুত্র’রা আসলেই নপুংসক নাকি তাদের পৌরুষত্বে ঘাটতি আছে বলে তারা মনে করেন—এটা আপনার মতো আমারও জানার বিষয়।
তাদের জেন্ডার পলিটিক্সের এই মনস্তাত্ত্বিক বৈপরীত্য বা দ্বন্দ্ব একদিকে যেমন বিস্ময়কর ও রহস্যময় লাগে অন্যদিকে স্ববিরোধী এবং এক প্রকার অর্থহীন বলে মনে হয় আমার কাছে।
Mohammad Mozammel Hoque: অন্যদিকে দেখবেন, তারা নারী বলতেই বোঝেন, স্ত্রী, কিংবা স্ত্রী হওয়ার অপেক্ষায় থাকা তরুণী। শাশুড়ি, ননদ, ননস, বোন, মা, কিংবা ভাবী, কন্যা, এরাও যে নারী, সেটি তাদের সচরাচর কথাবার্তায় বুঝা যায় না।
তাই তাদের মানে নারীবাদী নারীদের দৃষ্টিতে নারীর সুবিধা অসুবিধা হলো ওয়াইফ কিংবা ওয়াইফ-ম্যাটেরিয়েল পর্যায়ের কোনো নারীর সুবিধা অসুবিধা।
