লিখবে বাংলাদেশ, নামের একটা সংগঠন গতকাল ডেকেছিল ‘২৪-এর চোখে ‘৭১-এর বুদ্ধিজীবী হত্যা’ বিষয়ে কিছু বলার জন্যে। এর আগে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র এসেছিল তার একটা বইয়ের উপর একটা রিভিউ লিখে দেওয়ার জন্য। দিন কয়েক আগে। তার সাথে কথা বলার জন্য সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সামনে সেদিন বসেছিলাম। সাথে ছিল চবি’র বাংলা বিভাগে অধ্যয়নরত একজন ছাত্র।
৫৮ বছরের এই জীবনকালের ৪২টা বছর কেটেছে এই সবুজ ক্যাম্পাসে। নানাভাবে। বৈচিত্রময় অভিজ্ঞতায়। নানামুখী পরিচয়ে। উত্তর ক্যাম্পাসে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে, ছেলেদের হল এলাকায়। এরপর দক্ষিণ ক্যাম্পাসে। এই ক্যাম্পাসের আনাচে-কানাচে আশেপাশে বছরের পর বছর ধরে, যে কোনো অবস্থায়, পরিস্থিতিতে, যাকে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে the most vigilant teacher হিসেবে, খুব সম্ভবত সে আমি।
গতকাল আলোচনার শুরুতে ছিল না, পরে জয়েন করেছে এমন একজন নারীশিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছিল, ‘এই এই সংস্কার যদি নাই হলো, তাহলে এতে এতো রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে আমরা কী পেলাম?’
আমি বলেছি, ‘ডমিনেন্ট ন্যারেটিভ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারছো, ইতিহাসের আনটোল্ড ফ্যাক্টস নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে পারছ, এটাই তো সবচেয়ে বড় পাওনা।’



