দীপ্ত। পড়ে এমআইএসটিতে। নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং তার সাবজেক্ট। সপ্তাহখানেক আগে আমাদের ছাত্র শাকিল এর মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দু’দিন আগে এসেছিল আমার কাছে। আলাপ করেছে ঘন্টা দু’য়েক।
বললো, ঢাকা থেকে সে চট্টগ্রাম এসেছে শুধুমাত্র আমার সাথে কথা বলার জন্যে। সাথে ছিল তার এক বন্ধু। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। নাম, প্রতীক। আলাপ শুরু হলো প্রতীক আর চিহ্নের মধ্যকার পার্থক্য নিয়ে।
আলাপ গড়ালো জ্ঞান ও বিশ্বাস এর সম্পর্ক, ফিজিক্যাল বনাম মেটাফিজিক্যাল এনটিটি’র পার্থক্য, বিজ্ঞানবাদ আর খোদার অস্তিত্ব, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজির সাথে ইমাম ইবনে তাইমিয়ার পার্থক্য, ইত্যাদিতে।
ঢাকা থেকে আসার সময় দীপ্ত সাথে করে নিয়ে এসেছিল একটা বই। আমি যেন বইটাতে একটা অটোগ্রাফ দেই। দিয়েছি। লিখেছি, ভালোবাসা এক সংক্রামক ‘ব্যাধি’!
ভাইবেরাদর আপনজন কাছের লোকেরা যেমনটা যা যা হয়েছেন, কিংবা আমার কাছ থেকে ন্যূনতম যা কিছু প্রত্যাশা করেছেন তেমন কিছু হতে পারিনি। তবুও পেয়েছি অনেকেরই ভালোবাসা অকৃত্রিম।
আলহামদুলিল্লাহ!



