চবিকে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার বিকল্প নাই

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালালের পিছনে ছয়টা ব্লক তৈরি করা হয় ১৯৮২ সালে। প্রতি ব্লকে দশটা রুম। এত বড় চারতলা শাহজালাল হলের মূল ভবনে সিট সংখ্যা ২৩৫। অথচ শাহজালাল হলের এক্সটেনশন ব্লকে সিট সংখ্যা ২৪০।

এইভাবে টিনশেডের দশটা হল/ডরমিটরি চাইলে কর্তৃপক্ষ এখনি বানাইতে পারে। ১৪ কোটি টাকা খরচ করে ক্বরিৎকর্মা চবি প্রশাসন কনভোকেশন করতে পারলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ১৪টা অস্থায়ী ছাত্রাবাস/হল জরুরী ভিত্তিতে বানাতে পারবেন না কেন?

সোহরাওয়ার্দী হল এক সময়ে ছিল কর্মচারীদের জন্য বানানো ৬টা টিনশেড ব্লক। ছাত্ররা সেগুলো দখল করে। পরবর্তীতে প্রফেসর ফজলে হোসেন স্যার প্রভোস্ট থাকার সময়ে টিনশেড ব্লকগুলোকে পাকা ও দোতলা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশ শহর গলি ঘুপচিতে এখানে সেখানে এত কষ্ট করে থাকার পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়েরই জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীরা থাকার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক মেইক শিফট ডরমেটরি তৈরির দাবি কি খুব অযৌক্তিক?

আসল সমস্যা হলো মনমানসিকতা। কাজ চালিয়ে নিয়ে যাওয়া আর মৌলিক কোনো সংস্কারের পথে অগ্রসর হওয়া, দুইটা দুই রাস্তা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যতগুলো আবাসিক স্টাফকোয়ার্টার, বাসা বাড়ি খালি পড়ে আছে সেগুলো জরুরীভিত্তিতে ছাত্রীদের মধ্যে বরাদ্দ দিতে অসুবিধা কী? পরিত্যক্ত পুরাতন শামসুন্নাহর হলের ব্লকগুলো নূন্যতমমানে মেরামত করে সেগুলোতে ছাত্রীদেরকে থাকতে দিতে অসুবিধা কী?

ছাত্রীদের হলের মতো করে ছাত্রদের হলগুলোতেও ডাবলিং সিস্টেম চালু করতে সমস্যা কী? 

আগামী চাকসু নির্বাচনে একটা মজার ঘটনা ঘটবে।

হল সংসদে যারা নির্বাচিত হবে, আমি নিশ্চিত, দেখা যাবে তাদের অধিকাংশই অনাবাসিক। হলে এক অর্থে তারা বহিরাগত। ব্যাপারটা অনেক ‘মজার’ হবে। তাই না?

আমাদের ছাত্রছাত্রীরা অশিক্ষিত, অসভ্য ও বর্বর গ্রামবাসীদের হাতে এভাবে আক্রান্ত ও আহত হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে থাকতে দেয়ার ব্যাপারে তেমন ধরনের সিরিয়াস চিন্তাভাবনা কর্তৃপক্ষের মধ্যে দেখছি না। এইটা নিয়ে আমি ভীষণ হতাশ।

থাকতে দিতে পারবেন না, খাইতে দিতে পারবেন না, (কোনো কোনো ডিপার্টমেন্টে) স্টুডেন্টদেরকে বসার জায়গা দিতে পারবেন না, তাহলে আপনারা তাদেরকে ভর্তি করাইছেন কেন?

তেমন সিরিয়াসনেসের সাথে দেখলে আগামী ছয় মাসের ভিতর অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা অসম্ভব কিছু নয়।

কে শুনে কার কথা …!

মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য

Saad Afnan: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন দুর্দিনে ছাত্রদেরকে নিয়ে এতো সুন্দর প্রস্তাবনা দেওয়ার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আবাসন সমস্যা সমাধানে সদিচ্ছা থাকলে জমি বরাদ্দ দিয়ে ppp মডেলে টিনশেড সেমিপাকা করতে পারে। অথবা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলো থেকে ফান্ডিং নিয়েও এই কাজ করা যায়।

Sanu Akter Nodi: প্রশাসনের ফান্ড না থাকলে আমাদের জানাতে বলেন। প্রয়োজন হলে আমরা নিজেদের টিউশনের টাকা থেকে চাঁদা তুলে দিবো। তবুও এটার একটা সাসটেইনেবল সমাধান করেন।

Mohammad Mozammel Hoque: Saad Afnan, Sanu Akter Nodi: এমনকি প্রশাসন চাইলে কিছু কিছু খালি জায়গা স্টুডেন্টদেরকে বরাদ্দ দিতে পারে, যে ক’দিন ছাত্রত্ব থাকবে সেই ক’দিন কোনোমতে থাকার জন্য কোনো ইন্ডিভিজুয়াল স্টুডেন্টকে অথবা কোনো স্টুডেন্টগ্রুপকে দিতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি কর্মচারীরা বাসা তৈরী করে, কলোনী স্থাপন করে থাকতে পারে তাহলে স্টুডেন্টরা কেন কলোনী করে থাকতে পারবে না?

Jony Ashadujjaman: স্টুডেন্টরা সাদরে গ্রহণ করে নিবে এই প্রস্তাব।। শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, বিডিএফে শিক্ষকদের থাকার যে হাল। আমিও জায়গা বরাদ্দকে বেছে নিয়ে থাকার ব্যবস্থার পক্ষে আছি। প্রয়োজনে নিজ খরচে করতে রাজি।

Mohammad Mozammel Hoque: লোকপ্রসাশন বিভাগে একজন সিনিয়র শিক্ষক ছিলেন, প্রফেসর আব্দুন নূর। আমি উনার প্রতিবেশী ছিলাম। আমি একবার স্যারকে প্রস্তাব দিয়ে বলেছিলাম, ‘স্যার চলেন আমরা ইউনিভার্সিটির কিছু জায়গা এলটমেন্ট নিয়ে সেখানে গ্রামের বাড়ির মত কাঁচাপাকা ঘর তৈরী করে থাকা শুরু করি। তাহলে আমাদেরকে এত বাড়ি ভাড়া দিতে থাকতে হবে না।

নানা কারণে সেটা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি। কিন্তু হতে অসুবিধা কী? জায়গার তো অভাব নাই। কেউ একজন শুরু করলেই হবে…!

এভাবে টিচার-স্টুডেন্টরা ক্যাম্পাসে থাকা শুরু করলে ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমের ওপরে অনেক চাপ কমবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক লাভ হবে শেষ পর্যন্ত।

Parvez Rahman: আপনার সাথে একমত। দেশের অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি নিজের অথবা মা-বাবা এবং নিকটাত্মীয় স্বজনদের নামে বহুতল ভবন বানিয়ে দিবে।

Mohammad Mozammel Hoque: এইভাবে ডোনেশন চাওয়া এবং নেয়াটা দুনিয়াজোড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে একটা প্রতিষ্ঠিত রীতি। আমাদের দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খালি সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে। আসলে তাদের ……!

Shahadat Ahmed: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের মন্তব্যে “অশিক্ষিত, অসভ্য ও বর্বর গ্রামবাসী” বলা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত অবমাননাকর। কোনো গ্রাম বা জনগোষ্ঠীকে এভাবে হেয় করা শিক্ষিত সমাজের কাছে অগ্রহণযোগ্য। বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের গ্রামবাসী পরস্পরের পরিপূরক; একে অপরের সহযোগিতা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সম্ভব নয়।

কিছু সংঘর্ষ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায়ে পুরো গ্রামকে কলঙ্কিত করা ন্যায়সংগত নয়। বরং এই ধরনের বক্তব্য ছাত্র ও গ্রামবাসীর মধ্যে আরও বিরূপ প্রভাব তৈরি করবে। একজন শিক্ষকের দায়িত্ব সমস্যার সমাধান খোঁজা ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা। ঘৃণা ছড়ানো নয়। তাই এই মন্তব্য কেবল অশোভনই নয়, সমাজে বিভেদ তৈরির ঝুঁকি বহন করে।

Mohammad Mozammel Hoque: বিশ্ববিদ্যালয়ের সব জায়গা জমি দালান কোঠা সব গ্রামবাসীদের মধ্যে বন্টন করে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার পরেও দেখা যাবে, আগামী ১০/২০ বছর পরেও, এই গ্রামবাসীদের অবস্থার বিশেষ কোনো উন্নতি হয় নাই। এরা এই পরিমাণে …! কী আর বলব …!

Abdul Kaiyum: শহীদ ফরহাদ হল ও অতীশ দীপঙ্কর হলের মাঝে একটি ভবন প্রভোস্টদের জন্য করেছে। আদৌ কোনো শিক্ষক সেখানে থাকবে বলে মনে হয় না। ঐ ভবনটি ছাত্রদের জন্য দিয়ে দিলেই হয়। অনেকে ২নং গেটের দিকে কটেজ/বাসা ছেড়ে দিয়েছে, বিশেষ বিবেচনায় তাদের দেওয়া উচিত।

Mohammad Mozammel Hoque: I support it. সাম্প্রতিক মারামারিতে বাস্তুহারা এবং উদ্বাস্তু স্টুডেন্টদেরকে রিহেবিলেইট করার জন্য এ ধরনের জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অবশ্য, আমরা যারা সাধারণ শিক্ষক, বলা ছাড়া আমাদের আর কীইবা করার আছে?

Abdul Kaiyum: আপনি এ বিষয়ে একটু দেখেন। ভবনটি পড়ে আছে, কেউ থাকেও না।

Mohammad Mozammel Hoque: খালি পড়ে থাকুক, নষ্ট হয়ে যাক, কোনো অসুবিধা নাই। কাউকে থাকতে দিলেই যত সমস্যা…! সরকারি সম্পত্তির এটাই হলো হাকিকত…!

Moinul Islam Nishat: টিনশেড হলেও পুরোপুরি আবাসিক করা প্রয়োজন। দরকার হলে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হলের ফি কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে। তারপরও আবাসিকের কোন বিকল্প নেই।

Mohammad Mozammel Hoque: আপাতত টিনশেড ইত্যাদি দিয়ে সমাধান করে, দীর্ঘমেয়াদে, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বড় বড় বিল্ডিং তৈরীর পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। condominium ধাঁচের বিল্ডিং।

Md. Najibul Hasan: রেল ক্রসিং অথবা ১নং গেইটে একটা পুলিশ ফাঁড়ি থাকা উচিৎ।

দ্বিতীয়ত, ক্যাম্পাসে সিএনজি এবং রিক্সা সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চক্রাকারে বাস চালু করতে হবে। এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত শিক্ষকদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যা ভাড়া তাই নিতে হবে। উল্টাপাল্টা করলে তাকে আজীবনের জন্য ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করে দিতে হবে।

তৃতীয়ত, ক্যাম্পাস এরিয়ার মধ্যে যেসব জমি চাষাবাদের জন্য স্থানীয়দের লিজ দেওয়া হয়েছে এবং যারা বসবাস করে তাদেরকে প্রশাসন কর্তৃক সর্বোচ্চ নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তিদের এখানে রাখা যাবে না। এদের জন্যই শিক্ষার্থীরা ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আবাসিক ব্যক্তিদের এসব জমি লিজ দিতে হবে। যাদেরকে শিক্ষার্থীরা চিনে।

সর্বশেষ, শাটলে বহিরাগতের আনাগোনা নিয়ে প্রশাসনের একদম এ্যাকশনে যেতে হবে।

Mohammad Mozammel Hoque: বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অন্ততপক্ষে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত এরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আওতায় আসা উচিত। ‘ই-কারে’র সংখ্যা বাড়িয়ে ক্যাম্পাসের ভিতরে রিকশা, সিএনজি এগুলো টোটালি বন্ধ করে দেয়া উচিত। ‘ই-কার’গুলো চালানোর জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। কর্মচারীদের কাজগুলো ছাত্রদেরকে পার্টটাইমের ভিত্তিতে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ছাত্রছাত্রীদের আয় উপার্জনের ব্যবস্থা করা উচিত।

Md Imtiaz Murshed: আমরা কটেজগুলোতে মানবেতর জীবন যাপন করতেছি। তাও উচ্চ ভাড়া দিয়ে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চাইলে এমন টিনশেড ঘর এক মাসের মধ্যে তুলতে পারে। ফ্রি তে রাখতে হবে না, পরিমিত ভাড়াও রাখুক আপাতত। তবু এই জীবন থেকে মুক্তি দিক।

আর এখন তো এই ঝামেলার পর বাড়িওয়ালার ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন। ২নং গেটে স্টুডেন্টগুলো এপাশে আসলে বাসা গুলোতে চাপ বাড়বে বলে তারা আবার বাসা ভাড়া বাড়ানোর আলোচনা করতেছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা দিতে পারবে না বলেও জানিয়ে দিচ্ছে, তাহলে আমাদের সম্মানিত প্রশাসন কি এর কোনো সমাধান আমাদেরকে দিবে না?

Mohammad Mozammel Hoque: এমনকি আমার মতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের জায়গাগুলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরকারের সহযোগিতা নিয়ে অধিগ্রহণ করা উচিত। ক্যান্টনমেন্টের সীমানা যদি দিন দিন বাড়তে পারে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা কেন বাড়বে না?

Saika Saki: মানুষের পরিবেশের উপর তার জীবিকা নির্বাহের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালেয়ের আশেপাশে যেহেতু পাহাড়, জমি আছে মানুষ তার জীবিকার তাগিদে পাহাড়ে ফসলাদি ফলানো, চাষাবাদ করা কিংবা গরু চরানোর জন্য যায়। এগুলোতে গুনাহের কিছু নাই।

মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে আগে খাদ্য পড়ে, শিক্ষা নই। খাদ্যের জন্য মানুষকে কাজ করতে হয়। আর কাজের জন্য প্রয়োজন পান্তা ভাত খেয়ে পেশি শক্তির যোগান। যারা মনে করেছিলো পান্তাভাত খেয়ে এলাকার ছেলে-মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবে তাদের উচিত ছিলো বিশ্ববিদ্যালয় শুধু এলাকার ছেলেমেয়েদের জন্য গড়ে তুলা বহিরাগতের জন্য নয়।

আপনি যাদের অশিক্ষিত বলেছেন ভালো করে খবর নিয়ে দেখিয়েন এলাকার প্রায় ছেলেমেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে কিনা? পান্তা ভাত খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার যৌক্তিটা হাস্যকর। কারণ এটা কোন কিন্ডার গার্টেন স্কুল নয় যে মায়েরা পান্তা ভাত খাওয়ায় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাই দিবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া আগে নিশ্চয় আরও ধাপ রয়েছে। বাংলাদেশের সবাই যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো তাহলে দেশের শতভাগ মানুষ শিক্ষিত এর খাতায় নাম লেখাতো। দেশকে ভলো হতো। উন্নত দেশ। বাংলাদেশে থাকতো নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র। বাঙালি চাঁদে যেতো, মঙ্গলে যেতো, ক্যান্সারের ঔষধ তৈরি করতো কিংবা পারমানবিক বোমা তৈরি করে শত্রুর মোকাবেলা করতো। এখন বাঙালি পরচর্চা করে পরনিন্দা করে কিংবা হুজগেতে মেতে উঠে। এতে বোঝা যায় আমরা কতটা শিক্ষিত। শুধু একটা এলাকা দিয়ে শিক্ষিত-অশিক্ষিত পরিমাপ করা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়।

Mohammad Mozammel Hoque: না জেনে কথা বলাটা শুধু বোকামি নয়, এক ধরনের অসততাও বটে। ‘পান্তা ভাত খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবে’ এই কথাটাকে আপনি শাব্দিকভাবে আপনার মতো করে ব্যাখ্যা করছেন কেন? এইটা আমাদের এই অঞ্চলে মরহুম ফজলুল কাদের চৌধুরীর একটা কথা হিসেবে প্রচলিত। আমাদের বাবা চাচাদের মুখে আমরা শুনেছি বহুবার।

আমাদের গ্রামের বাড়ি নাজিরহাট। সেখান থেকে যতজন স্টুডেন্ট এখানে পড়তে আসে, সেই অনুপাত অনুসারে অনেক অনেক কম সংখ্যক স্টুডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের এলাকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে আসে। সামগ্রিকভাবে তারা লেখাপড়ামুখী নয়। এই সত্যটা আপনি কেন অস্বীকার করার চেষ্টা করছেন?

বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করানো হয়। এখানে লোকাল-বহিরাগত বলে কোনো কথা নাই। আপনার এলাকা কোনটা আমি ঠিক জানি না। বিশ্ববিদ্যালয় এর পার্শ্ববর্তী এলাকার সম্পর্কে আপনার ধারণা কতটুকু সেটাও আমি জানি না।

এই এলাকা সম্পর্কে আমার খুব ভালো জানাশোনা আছে। আমি ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে একনাগাড়ে এখনো এই এলাকাতেই থাকি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো লোকজন বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকদেরকে চাকরি দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিল। তারা তখন চাকরি নেয় নাই। বরং লিটারেরিলি তাদের দাবি ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর দিয়ে তারা গরু নিয়ে যাতায়াত করবে।

এখন তারা স্বপ্ন দেখে চতুর্থ শ্রেণীর একটা চাকরিতে কিভাবে নিজ পরিবারের কাউকে ঢোকাবে।

আমি নিজে এলাকার এক গণ্যমান্য ব্যক্তিকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে তাদের এলাকার ছেলেমেয়েদের ভর্তির একটা কোটা চালু করার ব্যাপারে‌। তারা সম্মত থাকলে আমি আমার প্রভাব খাটিয়ে সেটা করে দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু তিনি তাতে সম্মত হন নাই। উনার ধারনা, তাতে করে ছাত্র ভর্তির এই কোটা নিয়ে এলাকার মধ্যে অনেক বেশি গ্যাঞ্জাম শুরু হবে।

এই তথ্য তো আপনার জানার কথা নয়। আমি আপনাকে বলছি।

এরপরও এইসব অসভ্য বর্বর অশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে যদি আপনি কথা বলেন, এটা নিতান্তই দুঃখজনক

একটা এলাকায় কিছু সংখ্যক ভালো মানুষ থাকতেই পারে। সেটা ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম দিয়ে নিয়মের পরিবর্তন হয় না।

অধিকাংশ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে কী রকম, সেটা নির্ধারণ করে সেই এলাকাটা সম্পর্কে আমরা কী ধরনের ধারনা গঠন করব।

আশা করি এবার থামবেন, এবং আমার এই কথাগুলোকে বোঝার চেষ্টা করবেন।

Tasnova Islam: ডাবলিং কিভাবে? এটা কষ্ট অনেক। দরকার হলে বেড ২তলা করা যেতে পারে। আগে অপরাধী সন্ত্রাসীদের বিচার করে দেখান। পরে সব একদিন ঠিক হবে। এই যে কাঁচি দিয়ে ব্রেইন কাঁটল, এরা বাইরে থাকবে কেন?

জীবন বাঁচানোর স্বার্থেও যদি পাল্টা আঘাত করে তা তো proportionately হতে হবে। কেউ লাঠি নিয়ে আসলে তাকে তো কোপানো যাবে না।

Mohammad Mozammel Hoque: যিনি অ্যালটমেন্ট পাবেন তার সম্মতি সাপেক্ষে ডাবলিং এর পারমিশন দেয়া যেতে পারে। জোর করে ডাবলিং চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

Jahadul Islam: Administration should think of it with utmost importance. আবসান একটা মানসিক শক্তি যোগায়, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আবাসন নিয়া চিন্তা করলে পোলাপান পড়বো কখন? এত মানসিক চাপ নিয়ে পড়াশোনা করা যায় না। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে করা উচিত।

Mohammad Mozammel Hoque: Present administrative focus is on transportation, not accommodation. কিন্তু হওয়ার কথা ছিল ঠিক তার উল্টোটা।

মো. আশরাফুল ইসলাম: আপনার আইডিয়াটা দারুন। কিন্তু বর্তমান প্রশাসনের মধ্যে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণের কোনো আগ্রহই দেখা যায় না। যা খুব দুঃখজনক।

Mohammad Mozammel Hoque: আবাসন সংকটসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ধরনের সংকট গুলোর নিরসনে আপতকালীন সাময়িক ব্যবস্থা, এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী ব্যবস্থা, দুই ধরনের কার্যক্রম এখনই শুরু করতে হবে।

Sharat Barua: অশিক্ষিত বর্বর গ্রামবাসী? বাহ! আপনার শিক্ষা। আপনার পরিবারকে সালাম।

Mohammad Mozammel Hoque: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যেসব শিক্ষক, পড়াশোনা করে যেসব ছাত্রছাত্রীরা, যদি হিসেব করা হয় তাদের মধ্যকার চিটাগোনিয়ান ক’জন কোন এলাকার, তাহলে সবচেয়ে কম সংখ্যক শিক্ষক ও সবচেয়ে কম সংখ্যক ছাত্রছাত্রী পাওয়া যাবে যে এলাকার, সেই এলাকা আমাদের অতিপরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন এলাকা।

এইটা খুব লজ্জাস্কর ব্যাপার। এলাকাবাসীর উচিত এই বাস্তবতা কেন হয়েছে সেটা নিয়ে আত্মসমালোচনা করা।

এ পর্যন্ত যত হাজার হাজার স্টুডেন্টকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ মুখে পিটিয়েছে আহত করেছে সেটার হিসাব অনেকে না জানতে পারে, আমরা যারা পুরনো লোকজন আমরা খুব করে জানি।

এগুলো সভ্য লোকদের কাজ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে তাদের এলাকা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পরিচিত হয়েছে, এইটার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দায় তারা কখনো বোধ করে না। পুরু চট্টগ্রামে শিক্ষাদিক্ষার দিক থেকে এতটা অনুন্নত, এতটা কম শিক্ষিত এলাকা আর নাই।

Adil Adeem: আবাসিক হল আরো বাড়ানোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব আছে এবং তা দ্রুতই করা জরুরী।

কিন্তু যাদের আপনি অশিক্ষিত, অসভ্য আর বর্বর বললেন, দয়া করে বলবেন কি, ওই গ্রামবাসীরাই কি ক্যাম্পাসে গিয়ে প্রথম আক্রমণ চালিয়েছিল? বাস্তবতা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ত্রশস্ত্র লুট করে উল্টো গ্রামে আক্রমণ করেছে কিছু উগ্রপন্থী শিক্ষার্থী। এখন প্রশ্ন হলো এদের আপনি কি নামে ডাকবেন? যুদ্ধ করার জন্যই কি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ত্র লুট হয়েছিল?

ঘটনার শুরু থেকে শেষটা ভালোভাবে দেখা দরকার। শিক্ষার্থী হওয়ার অজুহাতে কে বা কারা গ্রামে গিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙল, দোকানপাট লুট করল, গরু পর্যন্ত চুরি করল? এসব কোন সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে? আপনি যাদের বর্বর বললেন, তারা আপনার সংজ্ঞায় অসভ্য, কিন্তু তথাকথিত শিক্ষিত ছাত্ররা কি করল, সেটাও কি চোখ এড়িয়ে যাবে?

আর একটা বিষয় মনে রাখা দরকার এসকল “অশিক্ষিত” বা “অসভ্য” মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কিন্তু এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চলে। পৃথিবীর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ই নিশ্চয় গরু চুরি বা লুটপাটের শিক্ষা দেয় না।

Mohammad Mozammel Hoque: আল্লাহর কাছে দোয়া করো, আহত কোনো স্টুডেন্ট যাতে মারা না যায়, এবং গ্রামবাসীরা যাতে ছাত্রদের উপর ফার্দার আক্রমণ যেন না করে। খোদা না করুক, তেমন কিছু হলে, কী হবে সেটা আল্লাহই ভাল জানেন!

Adil Adeem: কারো মৃত্যু কিংবা ক্ষতি কখনোই কাম্য নয়। স্যার, আপনি এখনো একপক্ষ নিয়ে গ্রামবাসীর দোষটা দেখছেন। কিন্তু কোথায় থেকে শুরু আর কে বা কারা এটার ইন্ধন দিয়েছে সেটা জানাও জরুরী। প্রতিরোধ বলতে একটা ব্যাপার আছে। আর আমি মনে করি গ্রামবাসী প্রতিরোধ করেছেই মনে হলো। কারন হামলাটা শিক্ষার্থীরা গ্রামে গিয়ে করেছে।

Mohammad Mozammel Hoque: হ্যাঁ, জোবরা গ্রামবাসীরা তো ৫ ই আগস্ট ২০২৪ সালের রাত সাড়ে বারোটায়ও ‘প্রতিরোধ’ করেছিল, আমার গাড়িতে আমার গায়ের উপরে রামদার কোপ দিয়ে, গাড়ির সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করে …!

For your information…! আরো কথা আছে। আপাতত না বলি।

Adil Adeem: আপনারা শিক্ষক, আমাদের কাছে আপনারা মহৎ এবং সত্যিই ভালো জাতি গড়ার কারিগর। তাই ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে উচ্চারিত কঠিন শব্দ শিক্ষার্থী ও পাশ্ববর্তী গ্রামবাসীর মধ্যে অযথা বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে। শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই এলাকাতেই থাকতে হবে, তাই ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো জরুরি। শিক্ষার্থীদেরও মনে রাখা প্রয়োজন, কারা সুযোগ নিয়ে কাদা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।

দিনশেষে ব্যক্তি আক্রোশের ঊর্ধ্বে উঠে যদি আপনারা হিংসার পরিবর্তে সম্প্রীতির বার্তা দেন, সেটিই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন।

Mohammad Mozammel Hoque: শিক্ষার্থীরা এলাকাতে থাকবে, এইটা শিক্ষার্থীদের থাকার মূল জায়গা না। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট লোকজন ভাড়া থাকছে বলেই এখানে ভাড়ার ঘরগুলোতে ভাড়াটিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এর বিপরীতে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এ এলাকার লোকদের জীবিকার ব্যাপারটা দেখেন।

এত বড় একটা জাতীয় প্রতিষ্ঠান তাদের এলাকাতে, এটা নিয়ে তাদের কোনো own feel নাই। তারা আছে বরং কিভাবে রিক্সা ভাড়া বাড়াইয়া, তরকারির দাম বাড়াইয়া, মানুষকে ঠকাইয়া, এখানে দুই টাকা বেশি আয় করা যায়। কিভাবে কর্মচারীর চাকরি যোগাড় করা যায়, এইসব কাজে।

আফসোস, এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব ও মর্যাদার কোনোটাই বোঝে না।

BD Dayal: আপনার লেখাটা পড়ে ভাল লাগলো। তবে আপনি এমন শিক্ষিত যে, পুরো গ্রামবাসীকে অশিক্ষিত, অসভ্য, বর্বর উপাধি দিয়ে দিলেন। বাহ! স্যার। এটাকে শিক্ষার আলো বলা হয়। ধন্যবাদ স্যার। ক্ষমা করবেন।

Mohammad Mozammel Hoque: very unfortunate but harsh reality. বাতির নিচে অন্ধকার এর মতো। যা লিখেছি তা আমার ৪৩ বছরের অভিজ্ঞতার নির্যাস। আমি কিন্তু এই এলাকার খুব কাছের মানুষ। এই অর্থে, আমিও এই এলাকার মানুষ।

Muzahid Ahmed: কিছু ডিপার্টমেন্ট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন। রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক রাজনীতির জন্য যেসব বিভাগ খোলা হয় সেগুলো সবার আগে বন্ধ করা প্রয়োজন। সেই সাথে কতজন ছাত্রছাত্রীর আবাসিক ব্যবস্থা নিশ্চিত কর সম্ভব, ঠিক ততজন ভর্তি করা হবে। এই নিয়ম চালু করতে হবে। শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরের বিশ্ববিদ্যালয়। সম্পূর্ণ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

Mohammad Mozammel Hoque: মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা কমানোর কোনো বিকল্প নাই।

Habibur Rahman Habib: মেইন বিল্ডিং থেকে এই এক্সটেনশন অনেক অনেক ভালো। প্রশাসন চাইলে এক মাসের মধ্যে করতে পারে। যা জোবরার গান্ডুদের বাসার চেয়েও অনেক সুন্দর এবং উন্নত।

Mohammad Mozammel Hoque: চট্টগ্রামের মধ্যে এর চেয়ে অনুন্নত, অশিক্ষিত, এবং অনগ্রসর এলাকা আর নাই। ডক্টর ইউনুস কেন, আসমান থেকে ফেরেশতা নামাইলেও এদেরকে হেদায়েত করা অসম্ভব, আল্লাহর বিশেষ রহমত ও হুকুম ছাড়া।

Jihad Mahafuz: প্রশাসনের কেউ কি আপনার মতো করে ভাববে না কখনো?

Mohammad Mozammel Hoque: আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘বিশ্বাসীরা এমন, তারা পরস্পর পরস্পরকে সঠিক বিষয়ে পরামর্শ দান করে।’

Tanvir H. Sozib: অথচ, বিশ্ববিদ্যালয় এই এলাকার মানুষের জন্য হবার কথা ছিলো আশীর্বাদ। কিন্তু তারা এটা তাদের প্রতিপক্ষ করে নিলো।

Mohammad Mozammel Hoque: মরহুম ফজলুল কাদের চৌধুরী এখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল তৎকালীন ফতেপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলী আহমদ টিকে’র মাধ্যমে, যাতে করে এলাকার ছেলেপেলেরা সকালবেলা ঘর থেকে পানিভাত খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ক্লাস করতে পারে।

আমরা ছোটবেলা থেকে এগুলো শুনে বড় হয়েছি। আর এখানকার লোকজন এখন সকাল বেলা পানিভাত খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতর দিয়া গরু আর দা নিয়ে মুরাতে (মানে পাহাড়ি জঙ্গলে) যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তাদের দাবি হলো তাদের নির্ধারিত মূল্যে রিক্সা আর ট্যাক্সি চালানো আর অতিরিক্ত দামে তরকারি বেচার অধিকার। তাদের স্বপ্ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা চতুর্থ শ্রেণীর চাকরি পাওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা এই এলাকার এক ছোট ভাইকে আমি একসময় বলেছিলাম, আপনারা চাইলে আপনাদের এলাকা থেকে চেয়ারম্যানের সুপারিশেরভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু ছাত্র ভর্তির কোটা আদায় করে দিতে পারি। তিনি আমাকে নিরুৎসাহিত করে বলেছিলেন,

‘এলাকা থেকে যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ভর্তির কোটা দেয়া হয়, সেই কোটার ডিস্ট্রিবিউশন নিয়ে এলাকার মধ্যে মারামারি লাগবে। ঘুষ বাণিজ্য শুরু হয়ে যাবে। গন্ডগোল শুরু হয়ে যাবে। মহাঝামেলা তৈরি হবে। তার চেয়ে বরং যেভাবে আছে সেভাবে থাকাই ভালো।’

উনাদের ‘মহান কীর্তিকলাপ’ আর ‘বিশেষ মনমানসিকতা’ সম্পর্কে আরো কিছু বলবো?

লেখাটির ফেইসবুক লিংক

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *