প্রাক্তনের জন্য অন্তরের টান

কিছু কিছু বিষয় আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে। কালচারাল হেরিটেজ, সিম্বলিজম এবং ইমোশনাল এটাচমেন্টের বাইরে সেগুলোর তেমন কোনো স্বতন্ত্রমূল্য কিংবা বিশেষায়িত উপকারিতা থাকে না।

আমার ওয়াইফ তখন নেকাবসহ বোরকা পরতেন। অনেকেই বিশেষ করে স্টুডেন্টরা নানা ধরনের কনফিউশন করার কারণে কয়েক মাস পরে আমি তাকে নেকাব বাদ দেওয়ার জন্য বলি। কিন্তু বোরকাটা কন্টিনিউ করতে বলি।

বোরকা নেকাব না পরেও অন্য ডিজাইনের শালীন পোশাকে পোশাক সংক্রান্ত ধর্মীয় অনুশাসনের শর্ত পূরণ করা যায়। কিন্তু বোরকা নেকাব, এগুলা আমাদের এখানকার মুসলিম নারীদের পোশাকের ঐতিহ্য পরিণত হয়েছে।

তেমনি করে জামায়াতে ইসলামীর যে লোগো, বিশেষ করে সেখানে আল্লাহ নামের ক্যালিগ্রাফি এবং ‘আকীমুদ্দীন’ লেখা, এগুলো আমরা যারা শিবির জামায়াত করেছি, আমাদের ঐতিহ্যবোধ ও আবেগের অনস্বিকার্য্য অংশে পরিণত হয়েছে।

জামায়াত লোগো চেঞ্জ করেছে, এইটা প্রথম আমি বিশ্বাস করি নাই। একটু আগে কনফার্ম হলাম। কেন জানি একটা বিশাল দীর্ঘশ্বাস বুকের ভিতর থেকে উঠে আসলো।

দৃশ্যত, আদর্শভিত্তিক রাজনীতির ধারায় না থেকে জামায়াতে ইসলামী সেকুলার পার্টিকুলার মতো করে ক্ষমতার রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে। এটি জামায়াতের অন্যতম বুনিয়াদি ভুল। এর মাশুল জামায়াত কখন কীভাবে দিবে তা জানি না।

আমার আশংকা, পাওয়ার পলিটিক্সের এই বিষবাষ্প ক্যান্সারের মত ছড়িয়ে পড়বে ভেতরে বাহিরে। এই ধরনের ওভারপলিটিসাইজেশান এবং ভুল রাজনীতির একটা বিশাল নেতিবাচক প্রভাব সামগ্রিকভাবে এদেশের ইসলামপন্থী রাজনীতির উপরেও পড়বে।

আল্লাহ মাফ করুক। লক্ষণ ভালো না…!

আমার ওয়াইফের সাথে আমার এই ছবিটা তোলা হয়েছিল ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনের আগের দিন। রিহার্সালের পরে। ছবিটা নিজের ক্যামেরায় তুলে দিয়েছিলেন তৎকালীন মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউটের মরহুম প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ জাফর ভাই।

মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য

বিদ্রোহী চেতনা: This dress was never part of Bengali culture.

Mohammad Mozammel Hoque: কোন পোশাক আমাদের কোন পোশাক আমাদের না, সেটা কিভাবে বুঝা যাবে? এখানে দেখা যাচ্ছে, উনারা পরেছেন সাফারি। গায়ের উপর দিয়েছেন গাউন। পরেছেন বোরকা নেকাব। আর সালওয়ালার কামিজ। এর মধ্যে বাঙালি পোশাক কোনটা?

Parvez Rahman: তারমানে জামায়াত ক্ষমতার রাজনীতি করে ভুল করছে? তাহলে ক্ষমতার ইস্যু বাদ দিয়ে জামায়াত কি শুধু দাওয়া’র কাজ করবে? তাহলে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মসূচী ও এর অর্জন কিভাবে বাস্তবায়ন হবে? পাওয়ার পলিটিক্স ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা করার সক্ষমতা কিভাবে অর্জিত হবে।

দাওয়াতের মাধ্যমে কি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ইনসাফ ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মতো মানসিক ও নৈতিক সাপোর্টার হিসাবে নিজেদেরকে তৈরী করতে পারবে?

Mohammad Mozammel Hoque: ক্ষমতার রাজনীতি বনাম আদর্শের রাজনীতি – এইটা একটা বোঝার বিষয়। বিষয়টা না বুঝে, অর্থাৎ যিনি বলেছেন তিনি কী বলতে চেয়েছেন সেটা ক্লিয়ার না থাকা সত্ত্বেও কিছু একটা বলে ফেলা, এটা বোধয় ঠিক না।

চবি পলিটিক্যাল মিমস: অদূর ভবিষ্যত জামায়াতে ক্ষমতার লোভ ঢুকবে এবং নেতাদের মাঝে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হবে। ফলশ্রুতিতে জামায়াত তাদের আদর্শ থেকে সরে আসবে এবং দলের দুর্দশা নেমে আসবে।

Mohammad Mozammel Hoque: ক্ষমতার দ্বন্দ্ব কিছুদিনের মধ্যে জায়গায় জায়গায় আরো বিশ্রীভাবে প্রকাশ পাবে। এটি অনিবার্য।

Sheikh Sami Hasan: আদর্শ থেকে সরে আসা আর সাংগঠনিক কৌশলগত পরিবর্তন এ দুটি জিনিস আলাদা বলে আমি মনে করি স্যার। লোগো পরিবর্তন আদর্শ পরিবর্তন নয়, বরং পরিবর্তনশীল রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সংগঠনকে আরও শক্তিশালীভাবে দাঁড় করানোর উদ্যোগ।

Mohammad Mozammel Hoque: এই কৌশল শেষ পর্যন্ত তাদেরকে কোথায় নিয়ে যায় সেটাই দেখার পালা।

সোহেল মাহমুদ খান: গঠনতন্ত্র, সংগঠন পদ্ধতি এবং সদস্য সিলেবাস ঠিক থাকলে আশা করি তেমন সমস্যা হবে না, ইনশাআল্লাহ। তবে ইমোশনাল এটাচমেন্টের জন্যেই আমরা নতুন কিছু তাড়াতাড়ি রিসিভ করতে পারি না।

Mohammad Mozammel Hoque: সিলেবাসভূক্ত বইগুলোর ওপরে নাকি নোট পাওয়া যায়, এবং সেগুলো নাকি ব্যাপকভাবে আমলও করা হয়। এই যদি হয় সিলেবাসের অবস্থা, শেষ পর্যন্ত তাহলে ‘অংকটা’ কততে দাঁড়াচ্ছে?

Helal Mujahid: সবসময় আবেগ দিয়ে সংগঠন চলে না। আবেগ ও বাস্তবতার সমন্বয় থাকা দরকার।

Mohammad Mozammel Hoque: মতাদর্শগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এমন কোনো সংগঠনের সাথে জড়িত হওয়া, এইটা মূলত একটা আবেগের ব্যাপার। আবেগটা যখন আহত হয় কিংবা নাই হয়ে যায়, তখন সেখানে থাকা না থাকা বা সেই সংগঠন অনেক উন্নতি লাভ করা বা না করা, সেগুলো শেষ পর্যন্ত অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়।

Muzahid Aman Uddin: আমি আপনার সাথে একমত। ক্ষমতা নির্ভর রাজনীতি পেয়ে বসেছে। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল আল্লাহ নামের ক্যালিগ্রাফি এবং কোরআনের আয়াত আকিমুদ্দিন জামায়াত দলীয় লোগো থেকে বাদ দিয়েছে। এজন্যই আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলছে দিন প্রতিষ্ঠা করা ফরজ অথবা আল্লাহর আইন এ বক্তব্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। আমি মনে করি জামাত ভুল রাজনীতি করছে।

Mohammad Mozammel Hoque: দুনিয়াতে এতগুলো কল্যাণ রাষ্ট্র থাকতে আর একটা কল্যাণ রাষ্ট্র করা আমাদের জন্য ফরজ হয়েছে কেন? কেউ যদি তাত্ত্বিকভাবে সেটাকে কোনোভাবে কো-অপ করেন, স্বচ্ছভাবে, লজিক্যালি; এবং সেটাকে ফলো করেন প্রাক্টিক্যালি; আমার তাতে আপত্তি নাই। কিন্তু তালেগোলে যেভাবে কল্যাণ রাষ্ট্র কল্যাণ রাষ্ট্র বলা হচ্ছে তাতে করে … দুনিয়াতে যতগুলো কল্যাণ রাষ্ট্র হচ্ছে সেগুলো তো এক একটা ইসলামী রাষ্ট্র হয়ে গেলো…!

ইসলামী রাষ্ট্র বলতে যেভাবে দাবি করা হচ্ছে সেরকম রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে কিনা, সেটা ভিন্ন আলোচনার বিষয়। কিন্তু যারা ইসলামী রাষ্ট্রের কথা বলে, একামতে দ্বীনের স্লোগান দেয়, আর সাথে বলে তারা ‘কল্যাণ রাষ্ট্র করবে’, তাদের আসলে ফিলোসফিটা কী?

যে যেটাই বলুক, প্রত্যেকের কথার সাথে তার চিন্তা ও কাজের মিল থাকা উচিত। Consistency is a must.

আমি এখানে কোনো জাজমেন্ট করছি না। শুধুমাত্র কন্সিসটেন্সি বনাম ইনকন্সিসটেন্সির প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলছি।

Shahin Rahman Sajid: আসলে, স্যার। এটা এখন যেন এক জটিল পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। একবার বলব – এটা নিছকই পরিস্থিতির শিকার হওয়া; আবার বলব—এটা কৌশল অবলম্বন করেই করা হয়েছে। পশ্চিমা শেয়ালেরা যখন টিকি দেখে দেখে পাখি শিকার করছে, তখন চালাক পাখি ক্ষণিকের জন্য তার গৌরব ও ঐতিহ্যের সেই টিকিটাকে সামান্য আড়াল করে রাখল। প্রশ্ন জাগে – এটা কি অদূরদর্শিতা, নাকি সুদূরপ্রসারী বুদ্ধির চিহ্ন? কি বলেন, মহাশয়? ক্ষমা করবেন স্যার!

আপনাদের অভিজ্ঞতা বেশি। বয়স, বিদ্যা, চিন্তা, সর্বোপরি আপনারা আমাদের চেয়ে নিখুঁত।

Mohammad Mozammel Hoque: one stop solution to all these problems is the garden model.

একটা বড় বাগানের মধ্যে যেমন ছোট বড় অনেক গাছ থাকে, তেমনি সমাজের মধ্যে ছোট বড় অনেক ধরনের কাজ থাকবে। সবকিছু একলা নিজেরা করতে গেলে এভাবে কাকের ময়ূর পুচ্ছ টাইপের ঘটনা ঘটবে। সমমনাদের ব্যাপারে ইনক্লুসিভ না হলে এখন যেমনটা হচ্ছে তেমনটা হওয়াই অনিবার্য।

Samad Azad: জামায়াত যদি তিউনিসিয়ার’’আন নাহদার’’ মতো একটা উদার ইসলামিক পার্টি হিসেবে আবির্ভাব হয়, তবে ক্ষতি কী? ইসলামি মূল্যবোধভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণাই বাংলাদেশের জন্য বেশি উপযোগী।

Mohammad Mozammel Hoque: আন নাহদা তো দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করে, তারপরে তারা প্রকাশ্যে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। আর এনারা করছেন ফাঁক তালে। তালেগোলে। কোথায় কী?

তিউনিশিয়া নিয়ে আমাদের অনেক কাজ আছে।

Abu Al Munjir: “বোরকা নেকাব না পরেও অন্য ডিজাইনের শালীন পোশাকে পোশাক সংক্রান্ত ধর্মীয় অনুশাসনের শর্ত পূরণ করা যায়। কিন্তু বোরকা নেকাব, এগুলা আমাদের এখানকার মুসলিম নারীদের পোশাকের ঐতিহ্য পরিণত হয়েছে।” লোগোর বেলায়ও এমন হতে পারে, স্যার!

Mohammad Mozammel Hoque: লোগো হচ্ছে পতাকার মত। পতাকার সাথে মানুষের আবেগের সম্পর্ক। পতাকার জন্য মানুষ জীবন দেয়। পতাকা একটা আইডেন্টিটিকে রিপ্রেজেন্ট করে।

Mohammad Anisul Islam: স্টুডেন্ট এর কনফিউশান এর সাথে আপনার ওয়াইফের নেকাবের সম্পর্ক বুঝতে পারিনি।

Mohammad Mozammel Hoque: তখন তার বয়স ছিল কম। নেকাব পরা ইসলামি ছাত্রীসংস্থার মেয়েদের থেকে তাঁকে আলাদা করার উপায় ছিল না। অনেকে তাঁকে ছাত্রী মনে করছিল। এবং কোনো কোনো ছাত্রীকে কেউ কেউ ম্যাম মনে করছিল।

তখন ইসলামী ছাত্রীসংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট মেয়েরাই শুধুমাত্র বোরকা আর নেকাব পরতো। ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড?

Farid Uddin:

Mohammad Mozammel Hoque: তেড়ছা তিন দাগের মাধ্যমে আল্লাহু লেখা, এ’রকম ক্যালিগ্রাফি আমি জীবনে দেখি নাই। এইটা যে আল্লাহু লেখা এটা দেখে কারো বোঝার কোন সাধ্য নাই, কেউ ব্যাখ্যা করে দাবি করা ছাড়া। তাছাড়া ‘আকীমুদ্দীন’ তো বাদ গেছেই। এ’ধরনের মিনিংফুল লোগো আরো দশ বিশটা করা সম্ভব। একটা প্রায়শতবর্ষি সংগঠনের লোগো চাইলে এভাবে পরিবর্তন করা যায় না। যেভাবে চাইলে আপনি পুরনো কোন স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলতে পারেন না। চাইলেই আপনি পতাকা পরিবর্তন করতে পারেন না, যদি না বিশেষ তেমন কারণ উপস্থিত হয়।

এখন বাকি আছে নামের সাথে যে ইসলাম আছে সেটা বাদ দেওয়া। হয়তো এক সময় সেটাও হবে। দেখা যাক।

Farzana Chowdhury: আমার কাছে আমার নিজস্ব একটি ধর্ম দর্শন রয়েছে যা আমি আমার পিতার কাছ হতে হাতেখড়ি নিয়েছি এবং তার সাথে সংযুক্ত করেছি আমার এক উপলব্ধি যা তৈরী হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের মানুষের সাথে মিশতে গিয়ে। আমার কাছে আমার প্রতিপালক প্রার্থনা পুরোপুরি ভিন্ন আমাদের সমাজের অন‍্য সকল হতে। তবে আমি সবার ধর্ম বা দর্শনকে শ্রদ্ধা করি যদিও আমাকে অনেকে সামনাসামনি অপমান করে আমার ভিন্ন ধর্মদর্শনের জন্য।

কিছুদিন আগে আমাদের এক ছাত্রীকে মাস্ক খুলতে বলেছিলাম ভাইবা পরীক্ষায়। সে আমার দিকে এমন কড়া চাহনি দিয়েছে মনে হয়েছিল আমি অনেক বড় অপরাধ করেছি । আমি খুব অবাক হয়েছিলাম কেন সে আমাকে এমন চাহনি দিল!

আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম তখন আমাদের বিভাগের এক ছাত্রীকে স‍্যার নিকাব খুলতে বলেছিলেন, তারপর তা মিডিয়া পর্যায়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সে ছাত্রী বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় গেলে সেখানে সে নিকাব ছেড়ে শুধু হিজাব পরিধান করতে দেখেছি। কিন্তু কম বয়সে তার নিকাবের প্রতি যে ঝোঁক ছিল তা জীবনের বাস্তবতায় আর টিকেনি।

আসলে নিকাব নিয়ে আরো বড় ধরনের আলোচনা হওয়া দরকার।

Mohammad Mozammel Hoque: যারা নেকাব পরিধান করেন তারা মুখ ঢাকার পক্ষে শরয়ী বাধ্যবাধকতার কথা বলেন। কিন্তু বাস্তবে তারা মুখের একাংশ শুধুমাত্র ঢেকে চলেন। এটি মূলত beauty of concealment হিসেবে কাজ করে, concealment of beauty’র পরিবর্তে। সৌন্দর্য ঢেকে রাখাই যদি তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য হতো তাহলে আমাদের গ্রামীণ নারীদের মতো তারা নারীমুখের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ তথা চোখগুলোও ঢেকে রাখতেন।

ক্রস কালচারালি এটি দেখা যায়, মুখের একাংশ ঢেকে রাখা তথা নেকাব হলো অন্যতম ফিমেইল বিউটি টিপ।

তাই অল্পবয়সী মেয়েরা নেকাব পছন্দ করে। ধর্মের বাধ্যবাধকতাকে তারা অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেন। সঙ্গতকারণে পরিণত বয়সে তাদের সেই টেন্ডেন্সি থাকে না। তাই তারা নেকাব ছেড়ে দেন, অথবা তাদের নেকাব ক্রমে নিচের দিকে নেমে আসে।

লেখাটির ফেইসবুক লিংক

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *