গল্পটা বাজে। শোনা কথা। ইউরোপ আমেরিকাতে নাকি আনম্যারিড ছেলে, বান্ধবী নিয়ে আসলে, কিংবা আনমেরিড মেয়ে, ছেলেবন্ধু নিয়ে আসলে কিছু কিছু বাবা-মা বরং খুশি হয়, যাক বাঁচা গেল, ছেলেটা তো আরেকটা ছেলে ‘পার্টনারকে’ নিয়ে আসে নাই, কিংবা মেয়েটা তো আর একটা মেয়ে ‘পার্টনারকে’ নিয়ে আসে নাই!
ওয়েস্টের অসহায় পেরেন্টসদের মতো খুব খুশি হলাম আজকে। এই প্রচণ্ড শীতের সকালে নয়টা বাজে মেটাফিজিক্সের ক্লাস নিতে গিয়ে দেখলাম, কয়েকজন ছেলেমেয়ে অলরেডি ক্লাস করার জন্য চলে এসছে। যদিও তারা মাশাআল্লাহ কেউ কোনো লেখাপড়া করে আসেনি। একজন শুধু বইয়ের সংশ্লিষ্ট চ্যাপ্টারটার ফটোকপি এনেছে।
তাও তো ভালো, তারা এসেছে। অবশ্য অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে আরও অনেক ছেলে-মেয়ে চলে আসছিল। বাহিরে তাপমাত্রা অনেক কম থাকলো সকাল ৯টা থেকে ১০:৪০ পর্যন্ত ক্লাসটা ছিল বেশ জমজমাট।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রীরা যেন বরযাত্রী কিংবা কনেযাত্রী। যেন তারা রাজপুত্র রাজকন্যা। তাদেরকে গল্পে গল্পে search for identity or reality, particulars versus universals, মেটাফিজিক্যাল রিয়ালিজম ভার্সাস নমিনালিজম ইত্যকার বিষয়গুলোকে কিন্ডারগার্টেন স্টাইলে বুঝিয়ে দিতে হয়। কারণ ব্যাংকের নিচের তলায় তারা বেতনের টাকা জমা দেয়, আর উপরের তলা থেকে আমরা মাসিক বেতন হিসেবে সেই টাকা গ্রহণ করি।
বাতাস যত উপরে ওঠে তত নাকি হালকা হতে থাকে। তেমনি করে স্টুডেন্টরা যত উপরের দিকে উঠে, লেখাপড়ার সাথে তাদের সম্পর্ক তত ক্ষীণ হতে থাকে। তারা তো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট। মুক্ত। অবাধ তাদের স্বাধীনতা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তো স্কুলের বাচ্চাদের মতো পড়ে আসতে বাধ্য করা যায় না, তাই না? মাঝে মাঝে ভাবি, মুদি দোকানে যেভাবে লেখা থাকে, ‘বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’, তেমনি করে কখন না জানি ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাসের মধ্যে লিখে রাখবে, ‘পড়া জিজ্ঞেস করিয়া বিব্রত করিবেন না’।
ছবিটা তোলা হয়েছে সবার সম্মতিতে। তারা নিজেরাই বলেছে, ‘স্যার, আমরা সামনে দাঁড়াই। তাহলে ছবিটা ভালো আসবে।’ তাদেরকে বলেছি, এইটা নিয়ে আজকে ফেইসবুকে একটা পোস্ট দেব।
রাজপুত্র রাজকন্যারা যখন এসেছেন তখন সেখানে রাজা-রানীরা তো না থাকার কথা না। বুঝতেই পারছেন, রাজা রানী কারা। তারা হলেন সদা বঞ্চিতবোধক্লিষ্ট আমার শ্রদ্ধেয় সহকর্মীরা, যারা সকাল 9টায় কিংবা বিকাল তিনটায় ক্লাস নেওয়ার কথা ভাবতেই পারেন না।
শিক্ষকদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় হলো অপরচুনিটি হান্টিং গ্রাউন্ড। পাঠখড়ির বিছানায় শুইলে আপনি যেদিকেই গইড় দিবেন সেদিকেই শুনবেন মটমট শব্দ। তেমনি করে শিক্ষক হিসেবে একবার নাম লেখাইবার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি কাজের জন্য আপনি পাবেন কিছু না কিছু সুবিধা কিংবা সম্মানী। শুধু ক্লাসের জন্য আপনাকে কোনো বিল করতে হবে না।
ভাবখানা এমন, অন্য কোনো কাজকর্ম না থাকলে ক্লাসে যাওয়া যেতে পারে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রী উভয় তরফেই ক্লাস নেয়া কিংবা ক্লাসে যোগদান করা নিতান্তই মর্জির ব্যাপার।
এই শীতের সকালে শহর থেকে চলে আসা এই ছাত্রছাত্রীদেরকে আমি কোনোভাবেই পুরস্কৃত করতে পারি নাই। যারা আসে নাই তাদের জন্য কোনো ধরনের শাস্তি ব্যবস্থাও আমি করতে পারি নাই। আমার অবস্থা হইছে লজিং মাস্টারের মত।
যেই সিস্টেমের মধ্যে ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত করার, এবং খারাপ কাজের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করার সুযোগ নাই, সেই সিস্টেম কীভাবে ফাংশন করবে?
অতএব, যা হচ্ছে তা অনিবার্য। যেভাবে চলছে, আলহামদুলিল্লাহ! কেন যে এই সিস্টেম ভেঙ্গে পড়ছে না, আল্লাহ মালুম!

মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য
S. A. Muktadir Samrat: আপনার নিজের অবদান কী? (With due respect)
Mohammad Mozammel Hoque: আমি প্রায় ৩২ বছর শিক্ষকতায় নিয়োজিত আছি। কোনদিন কোন ক্লাস মিস করি নাই। যথার্থ প্রস্তুতি ছাড়া কোন ক্লাসে যাই নাই। যেসব সাবজেক্ট (উইদিন দা ডিপার্টমেন্ট) কঠিন, সেগুলো আমি পড়াই। পড়িয়েছি। দর্শনের মূল বিষয় হলো অধিবিদ্যা এবং জ্ঞানতত্ত্ব। সেগুলো পড়ানোই হতো না। আমি সেগুলোকে চালু করেছি। ইউরোপ আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ডে কারিকুলাম এবং সিলেবাস তৈরি করে পড়িয়েছি। এবং এখনো পড়াচ্ছি।
আমি আমার ডিপার্টমেন্টে, একজন ট্রেন্ড সেটার, বলতে পারো।
পুরো বাংলাদেশে প্রথম আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একেবারেই হালনাগাদের রিসোর্স এবং রিসোর্স পারসনস নিয়ে ‘কনটেম্পোরারি মুসলিম ফিলসফি’ কোর্স পড়িয়েছি। সেজন্য আমার বিরুদ্ধে ‘সমকাল’ পত্রিকাতে তখন বিশাল নিউজ হয়েছিল। কিন্তু আমার একাডেমিক সততার কারণে সেগুলো ধোপে টেকেনি।
এখন লোকেরা এ আই সম্পর্কে জানছেন। অথচ, ২০০৯ সালে আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা কম্পালসারি কোর্স হিসেবে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দর্শন’ চালু করেছিলাম, যা এখনো পড়ানো হচ্ছে।
আমার সবচেয়ে বড় এচিভমেন্ট আমার ছাত্রছাত্রীরা। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ, এলাকা ও লিঙ্গ নির্বিশেষে যে কাউকে আপনি জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন।
Tajkiya Tasnim: চলমান শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্করণ এর জন্য তরুন প্রজন্মদের কী করনীয় আছে বলে মনে করেন? অনুগ্রহ করে এটা বাদ দিতে চাই যে শাসক পরিবর্তন দরকার। ওটা পর্যন্ত যেতে হলেও তো হাদীদের দরকার।
আর হাদীদের বানাতে হলেও শিক্ষার সংস্কার দরকার। সেই সংস্কারের জন্য কিছু পরামর্শ চাই। হয়তো জীবদ্দশায় সংস্কারের সুফল অর্জন নাও হতে পারে। তবে কাজ শুরু করলে মরার পরেও তো একদিন না হোক একদিন অন্যরা সুফল পাবে। তাই ওটুকুই চাই…
Mohammad Mozammel Hoque: কথাটা আমার। এবং কথাটা আমার খুবই পছন্দ। এটাই হলো সমাধানের সূত্র: Identification of the problem is half of the solution. আমরা যে শিক্ষার নামে লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর সৃজনশীলতাকে নষ্ট করছি, এই উপলব্ধিটা আপকামিং এডুকেশন রিফর্ম মুভমেন্টকে ইনিশিয়েট করবে, আই হোপ।
Apurba Ray Prince: দর্শন বিভাগের ছেলেপেলে বলে কথা।
Mohammad Mozammel Hoque: অন্য বিভাগের কথা ঠিক বলতে পারবো না, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন বিভাগে অধ্যায়নরত ছেলেমেয়েদের একাংশ লেখাপড়ার ব্যাপারে খুব সিরিয়াস। আগেও, মানে বিশ-তিরিশ বছর আগেও কিছু সিরিয়াস স্টুডেন্ট ছিল। এখন এই হার অনেক বেড়েছে। বলা যায়, এরাউন্ড ফর্টি পার্সেন্ট স্টুডেন্ট লেখাপড়ার ব্যাপারে ওভারঅল সিরিয়াস। একমডেশনসহ শিক্ষা ব্যবস্থার নানা ধরনের গলদ, এবং প্রপার গাইডেন্স না থাকা, নানা কারণে তারা ততটা ভালো করতে পারছে না।
তাদের জন্য আমার খুব মায়া হয়। এই সাত সকালে যারা এসেছে সম্ভব হলে তাদেরকে আমি নগদ 200 টাকা করে দিতাম। ভাঙতে ছিল না বলে দেয়া হয়নি।
Shakila Shireen: আপনি সত্যিকারের বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। এজন্য ধন্যবাদ জানাই। গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়গুলো নিয়ে কেউ কথা বলে না। ঘুঁনে পোকা খাচ্ছে, একদিন ধ্বংস অনিবার্য।
Mohammad Mozammel Hoque: শিক্ষকদের অত্যাচার নিয়ে ছাত্ররা যদি মুখ খোলে তাহলে রীতিমত আতংকজনক পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটবে। ছাত্রদের অনেক দায় আছে। তবে বেশিরভাগ দায় শিক্ষকদের।
Shah Taihan: এইভাবে সমস্যাটা আঙ্গুল দিয়ে চোখে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য, আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি আমরা শিক্ষার্থীরা আপনার আদর্শ মেনে চলতে সচেষ্ট থাকবো।
Mohammad Mozammel Hoque: ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তরিকতার অভাব নাই। সমস্যা শিক্ষক সম্প্রদায়ের মধ্যে। বিশেষ করে শিক্ষকদের মধ্যে যারা প্রশাসনে আছেন, তাদের।
Azad Abul Kalam: কঠিন কথা সহজ করে লিখেছেন। সরকারি কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক মিল আছে।
Mohammad Mozammel Hoque: পুরো উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে রেডিক্যালি রিফর্ম করা উচিত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নামক জাতীয় বোঝা হতে মুক্তি অর্জন কর জরুরী। টেকনিক্যাল পড়াশোনাগুলোকে মোর এফেক্টিভ করা দরকার।
এভাবে যে আরো কতকিছু দরকার। যা কিছু দরকার সেগুলো নিয়ে কোথাও আলাপই হচ্ছে না। শিক্ষা ব্যবস্থার প্রত্যেক স্তরে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডাররা আছে যে যার মত করে যেভাবে পারেন সুবিধা হাতানোর কাজে ব্যস্ত।
চাকরি উন্নতির দিকে চেয়ে শিক্ষকরা নিজেদের বিবেকের ঘরে তালা মেরে রেখেছেন। করে যাচ্ছেন উৎকট ভন্ডামী, অবিরাম। ছাত্ররা তাদের কাঙ্খিত সিজিপিএ পাওয়ার জন্য যা কিছু করার তাই করছে।
সত্যিকারের জ্ঞান কিংবা দক্ষতা অর্জনের ব্যাপারগুলো রীতিমতো হাওয়া হয়ে গেছে। এরকম একটা হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতিতে ব্যাপার যা হওয়ার তাই হচ্ছে। যতটা খারাপ হওয়ার কথা ছিল ততটা খারাপ কেন হচ্ছে না, সেটা ভেবেই বরং আমি আশ্চর্য!
যে ক্লাসরুম টিচিং এর জন্য এত সব আয়োজন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি, সেই ক্লাসরুম টিচিংটাই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। ফ্রম বোথ সাইডস।
Samina Hossain: শিক্ষকরাই যখন সকাল ৮টায় ক্লাসে এনে ১ ঘন্টা বসিয়ে রেখে সিআরকে বলে ক্লাস ক্যান্সেল। কোনো জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হয় না। তখন আমার মনে হতো এর চেয়ে আরামের চাকরি বাংলাদেশে নেই।
Mohammad Mozammel Hoque: অধিকাংশ শিক্ষক জানেনই না, শিক্ষকতার দায়িত্ব কী। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসারে ক্লাস রুমে পড়ানো হচ্ছে শিক্ষকদের ১ নম্বর দায়িত্ব।
Gazi Md. Tarek Hosen: ফটোকপি শীট কিংবা ট্র্যাডিশনাল নোট মুখস্ত করে যদি পাশ করা যায়, পাশাপাশি কয়েকটা পয়েন্ট কিংবা কয়েকটা পেজ বেশি লিখলে যদি ভালো মার্কসও পাওয়া যায় তাহলে খামোখা এতো পড়ে লাভ কি। নিজেরাও তাই করে আসছি যদিও বেশি লেখার অভ্যাস ছিল না বলে, বেশি ভালো ছাত্রও হতে পারিনি। এখন দেশের বাহিরে পড়তে এসে এই ফাঁকিবাজির মাশুলও কম বেশি দিতে হচ্ছে।
আর কিন্ডারগার্টেন মতো পড়ে অনেকে শিক্ষক হয়ে যেতে পারলে, কিন্ডারগার্টেনের মত পড়াতে কোন সমস্যা হবে বলে মনে হয়না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের উদ্দেশ্য শুধু নোট কিংবা শীট পড়ানো না বরং জ্ঞানের পারস্পরিক চর্চা ও গবেষণা অথচ হাতেগোনা কিছু শিক্ষক ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকেরই মুখ্য উদ্দেশ্য এর থেকে ভিন্ন কিছু বলে মনে হয়না।
এটার জন্য যদিও আমাদের সিস্টেম দায়ী, তাই একটা সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা সবাই পাশ করি, ভালো পাশ করি আবার কেউ কেউ শিক্ষক হই। কিন্তু কি শিখলাম, কি বুঝলাম তাই বুঝিনা। তবে সব চেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এই সিস্টেম আমরা কেউ ভাঙতে চাইনা যদি নিজেদের কষ্ট সময় বেড়ে যায় কিংবা সুবিধা কমে যায়।
কথাগুলো হয়তো বিবেক কিংবা আবেগের বশে লিখলাম। ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং পারলে সংশোধন করে দিবেন।
Fareea Reza Khan: বিদেশের হাই র্যাংকিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো সিস্টেম করা যায় না?
Mohammad Mozammel Hoque: অবশ্যই করা যায়। প্রয়োজন শুধু আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা এবং দৃঢ়তার। আমাদের দারিদ্র মূলত আমাদের চিন্তাভাবনার দীনতা।
আমরা যা বলি তা আমরা করি না, এবং যা আমরা আসলে করি সেটা নিয়ে আমরা বলি না – এই ধরনের কপটতার মধ্যেই চলছে আমাদের উচ্চশিক্ষার দিনকাল।
এই দল সেই দল, দিনশেষে সব হলো একদল। সেই দলের নাম নাই, পরিচয় আছে। সেই পরিচয় বলা যাবে না। লক্ষণ হল উৎকট স্বার্থবাদিতা।
রেদওয়ান আজমাইন: নিষ্ফলা মাঠের কৃষক।
Mohammad Mozammel Hoque: না, বিষয়টাকে ঠিক এভাবে বলা যায় না। বরং কিছু সিরিয়াস স্টুডেন্ট তো পেয়েছি। কিংবা অমনোযোগী বেশ কিছু স্টুডেন্টকে তো জীবনে কিছু না কিছু সিরিয়াসনেসের মধ্যে আনতে পেরেছি। সেটাও বা কম কী? সবচেয়ে বড় কথা হলো, নিজে তো উপকৃত হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ!
Md Fakrul Islam: বিভাগ তো দর্শন। এখানে মেটা ফিজিক্সও পড়ায়?
Mohammad Mozammel Hoque: দর্শনের প্রধান শাখা হলো চারটা। এই চারটা হল গুরুত্ব দিক থেকে পর্যায়ক্রমে
(১) মেটাফিজিকস,
(২) অ্যাপিস্টিমোলজি,
(৩) লজিক এবং
(৪) এথিকস।
