চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কয়েকটা ডিপার্টমেন্টে পরিবেশ বিজ্ঞান পড়ানো হয়। অথচ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাই কোনো পরিবেশ নীতি। আপনি বেওয়ারিশ কুকুর বিড়ালের প্রতি মানবতা দেখাবেন, একই সাথে চাইবেন জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ক্যাম্পাস, তাতো হবার নয়।
এত বড় ক্যাম্পাসে নাই কোনো তালগাছ, যেখানে বাবুই পাখি বাসা করতে পারে। একটা কার্যকর পরিবেশ নীতি থাকলে বনায়ন থেকে শুরু করে গাছ কাটা, অতিরিক্ত সংখ্যক মাংসাশী প্রাণী নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে অভয়ারণ্য তৈরি, এরকম নানা কিছুই হতে পারতো।
হতে পারতো এই বিশ্ববিদ্যালয় একটা প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। এভাবে হতে পারতো আরো অনেক কিছু। হতে পারতো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সংক্রান্ত সকল ক্ষেত্রে সামাজিক-প্রশাসনিক মেলবন্ধন।
কার গরুকে কে ধোঁয়া দেয়? নিয়মিতভাবে আমাদের বাসার পিছনে খাবারের সন্ধানে আসে হরিণ, বানর, বনমুরগ ও মুরগি। মথুরা আজকে প্রথম দেখলাম।
ভিডিওটা ঘন্টাখানেক আগের।
