সময় এসেছে ধর্মজীবী আলেম সম্প্রদায় থেকে বুদ্ধিজীবী আলেম সমাজকে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করার

Daily Star পত্রিকায় Cross Talks শিরোনামে প্রতি শুক্রবার একটা sub-editorial লিখতেন শ্রদ্ধেয় বদরুল আহসান। একটা পর্বের শিরোনাম ছিল (formal) “education is certified ignorance”।

ফাঁকি দিয়ে ফিলসফি পড়া যায়। কারণ ফিলসফি পড়ে ফিলসফার হওয়ার দায় বা কোনো বাধ্যবাধকতা নাই। কায়দা-কানুন করে বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে সার্টিফিকেট নেয়া যায়। কারণ, সায়েন্স পড়লেই তাকে সাইন্টিস্ট হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনাটা ভিন্ন রকম ব্যাপার। যিনি আলেম হিসেবে সার্টিফিকেট পাবেন তাকে সত্যিকার অর্থেই আলেম হয়ে উঠতে হয়। যেমন করে যিনি ডাক্তার হিসেবে সার্টিফিকেট পাবেন তাকে সত্যিকার অর্থেই যোগ্যতাসম্পন্ন ডাক্তার হিসেবে গড়ে উঠতে হয়।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‍“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে আকাশসমূহ ও জমিনের সৃষ্টি; আর তোমাদের ভাষাসমূহ ও তোমাদের বর্ণের পার্থক্য। বস্তুতই ইহাতে অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে আলেমদের জন্য।” (সূরা রুম: ২২)

এর পরবর্তী আয়াতসমূহে আল্লাহ তায়ালার নিদর্শন হিসেবে অনেকগুলো তথাকথিত ‌‘দুনিয়াবী’ বিষয়ের কথা উল্লেখ করা আছে।

দেখা যাচ্ছে, আমরা যাদেরকে আলেম বলি, ‌‘আলেম’ পরিভাষা দ্বারা যা কিছু বুঝে থাকি, কোরআনের ভাষা তারচেয়ে ভিন্ন। কোরআনের মধ্যে দ্বীন এবং দুনিয়ার ভাগাভাগি নাই। বরং দুনিয়া এবং আখেরাতের সবকিছুই দ্বীনের অন্তর্গত।

হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে বলা আছে, ‍“আল্লাহ যার প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে চান তাকে দ্বীনের ফকীহ বানিয়ে দেন।”

হযরত মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত এই হাদীসে দ্বীন বলতে নিছক ধর্ম বুঝানো হয়নি। বরং মানুষের সামগ্রিক মতাদর্শ ও জীবনযাপন পদ্ধতিকে বোঝানো হয়েছে। এবং এখানে ‌‘ফকীহ’ বলতে মাদ্রাসা থেকে পাস করা ফকীহ বুঝানো হয়নি। বরং যথেষ্ট পরিমাণে জ্ঞান-গবেষণা করার যোগ্যতা রাখেন, এমন ঈমানদার বুদ্ধিজীবীদেরকে বোঝানো হয়েছে।

তাই, এখন সময় এসেছে ধর্মজীবী আলেম সম্প্রদায় থেকে বুদ্ধিজীবী আলেম সমাজকে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করার।

‌‘ধর্মজীবী আলেম সম্প্রদায়’ বলতে আমি তাদেরকে বুঝাচ্ছি, যারা ‌‘ধর্ম’ বলতে মানুষ যা কিছু বুঝে সেগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট নানা ধরনের বিষয়, যেমন নিছক ইবাদত ও আমল-আখলাক সংক্রান্ত বিষয়ে কথাবার্তা বলে; যাদের মধ্যে কোনো ইন্টেলেকচুয়াল ডেপথ নাই, যারা ক্রিটিকাল থিঙ্কিং এন্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সাথে অপরিচিত; সমকালীন প্রেক্ষাপট যাদের কাছে শুধু প্রযুক্তিগত সুবিধা হাতিয়ে নেয়ার ব্যাপার; এক কথায়, মুসলমানদের মধ্যে পুরোহিত সম্প্রদায় হিসেবে সমাজে যারা ভূমিকা পালন করে, ধর্ম যাদের জীবিকা, তারাই হলেন ধর্মজীবী আলেম সম্প্রদায়।

ইসলামের দৃষ্টিতে একজন ব্যক্তি নিজ কাণ্ডজ্ঞান, বিবেক-বুদ্ধি এবং যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিগত দায়দায়িত্ব নিয়ে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আমাদের কমনসেন্স আমাদেরকে বলে, যেসব বিষয়ে আমরা জানি না, আমাদের জন্য লাভের কাজ হচ্ছে ঐসব বিষয়ে যারা জানে, তাদের কাছ থেকে জেনে নেয়া। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা এই কথাই বলেছেন, ‍“তোমরা জ্ঞানীদের কাছ থেকে জেনে নাও।”

কারো কাছ থেকে এক্সপার্ট অপিনিয়ন নেওয়া, আর কারো কাছে নিজের বিবেক-বুদ্ধিকে বর্গা বা বন্ধক দিয়ে রাখা বা বিক্রি করে দেয়া, এগুলো যে এক জিনিস নয়, এটি আমাদের আশেপাশের অনেক লোকজন বুঝতে পারে না।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, তারা তাদের আহবার ও রোহবানদেরকে (পাদ্রী ও রাব্বিদেরকে) আল্লাহর পরিবর্তে নিজেদের রব বানিয়ে নেয়।

হযরত আদি ইবনে হাতিম (রা.) ছিলেন একজন খ্রিষ্টান। ইসলাম কবুল করার পর তিনি এই আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেন, ইয়া রাসূলুল্লাল্লাহ, আমরা তো আমাদের পুরোহিতদেরকে রব মনে করতাম না। তাদেরকে আমরা সিজদা করতাম না। তাহলে এই আয়াতের মানে কী?

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, কোনো বিষয়ে যখন তারা তোমাদেরকে কিছু করতে বলতো তোমরা কি তা নির্দ্বিধায় করতে? তিনি বললেন, হাঁ। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারা যখন তোমাদেরকে কোনো বিষয়ে নিষেধ করত তোমরা কি সেটা থেকে বিরত থাকতে? তখন হযরত আদী ইবনে হাতিম রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হ্যাঁ, আমরা সেটা থেকে বিরত থাকতাম।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এভাবে নির্বিচারে কারো কথা মেনে নেওয়াই হচ্ছে তাকে রব মনে করা।

আপাতত এর বেশি কিছু আর বলার প্রয়োজন মনে করছি না। বুঝদারের জন্য সুস্পষ্ট কিছু কথাই যথেষ্ট।

মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য

Ashif Hasan: স্যার, একটা সমস্যা হলো আমরা যারা এই সেক্যুলার শিক্ষা থেকে এসেছি; মানে, যারা বিবর্তনবাদ, বিজ্ঞানবাদ আর ভুল ইতিহাসের সিলেবাস পড়ে চিন্তাকে এক রকম একদিকে ধাবমান করে রেখেছি, তাদের কী হবে? আমরা তো জানি, চিন্তার একটা ধরন আছে, যা ছোট থেকেই গড়ে উঠে। সেগুলোকে আদর্শ ধরে চিন্তা করা শুরু করলে তো আরো অনেক বিভক্তির সৃষ্টি হবে। এখন দেখা যায়, আমরা অনেকেই ইসলামকে বিজ্ঞান অথবা পশ্চিমের ফিলসফি দিয়ে যাচাই করি। চেষ্টা করি কীভাবে পশ্চিমের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়া যায়। অথচ বিষয়টা উল্টা হওয়া দরকার ছিল। এটার একটা বিহিত হয় যদি এমন হতো— ১২/১৩ বছর পর্যন্ত ইসলামিক পড়াশোনা (কুরআন, মৌলিক আকিদা, মৌলিক শরীয়া, হাদীস) আর বিভিন্ন ভাষা আর গণিত পড়তে হবে। পড়ে অন্য পড়া শুরু করতে হবে।

Mohammad Mozammel Hoque: কী করতে হবে সেটা জানতে চাচ্ছেন? আপনার প্রতি আমার সেই পরামর্শ, যে পরামর্শ আমি নিজেকে নিজে সব সময় দিয়ে থাকি। যেটা আল্লাহ তয়ালা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি কি তোমাকে চোখ-কান এবং অন্তর দেই নাই? তুমি এগুলোকে কেন কাজে লাগাচ্ছ না?

অতএব, সর্বাবস্থায় নিজের সবটুকু ক্ষমতাকে কাজে লাগাতে হবে। যাতে করে যে কোনো বিষয়ে ন্যায় এবং সত্যটা আমরা যেন শেষ পর্যন্ত এবং সবসময় বুঝতে পারি। এক কথায় আমাদেরকে অনুসন্ধিৎসু মন-এর অধিকারী হতে হবে। কোনো অবস্থায় আত্মম্ভরী, গোয়ারগোবিন্দ, উদ্ধত অথবা বুদ্ধিবিকল ব্যক্তিত্বহীন অন্ধত্ববাদী হওয়া যাবে না।

Yasir Adnan: মুসলমান যেমন করে কালেমার সাক্ষীতে পৌঁছায় তেমন করেই বাকি হিসাব নিকাশও করা উচিৎ।

কালেমায়ে শাহাদাত হচ্ছে সবচেয়ে অদ্ভূত সাক্ষ্য! দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সাক্ষী হলো চোখে দেখা সাক্ষী। কিন্তু মুসলিমরা না কোনোদিন আল্লাহকে দেখেছে, না কোনোদিন জীবরাঈলকে (আ) দেখেছে ওহী নিয়ে আসতে! তবুও সে বলে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আর মুহাম্মাদ (সা) হচ্ছেন আল্লাহর রাসূল।

তাহলে এই সাক্ষ্য দেয়ার শক্তিটা সে পায় কোত্থেকে?

আকল এবং উপলব্ধি থেকে ।

মুসলমান তার আকল খাটিয়ে যুক্তির মাধ্যমে সবকিছু বিচার করে দেখে। একই সাথে সে নিজের মনকে পক্ষপাতমুক্ত এবং অবারিত করে রাখে। ফলে সত্যটা তার উপলব্ধিতে এসে ধরা দেয়। এই শক্তিই তাকে এতবড় একটা সাক্ষ্য দেয়ার শক্তি জোগায়।

আজকের যুগে এত এত মানহাজ, এত এত ওলামা, বহুবিধ মতামত, আর শত শত পথ। কোনটাকে বেছে নেবেন? তার উত্তরটা এখানেই আছে। আপনি আপনার শাহাদাতে যেভাবে পৌঁছেছেন, পরের পথচলাটাও সেভাবেই এগুবে। আপনার বেসিক ঠিক থাকলে আপনাকে আর স্থায়ীভাবে বিভ্রান্ত করতে কে পারে? হয়ত এ কারণেই বলা হয়,

من قال: لا إله إلا الله دخل الجنة

Mohammad Mozammel Hoque: এমনকি যদি আমরা অভিজ্ঞতাবাদ বা empiricism-এর স্বরূপ (ontology) বিশ্লেষণ করি তখন আমরা দেখতে পাই, আসলে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতায় যা পাই সেটার সাথে এইসব অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাদের মনের মধ্যে পূর্ব থেকে থাকা স্রষ্টা বা প্রকৃতিপ্রদত্ত যে ধারণাগুলো আছে সেগুলোকে আমরা আমাদের কগনিটিভ প্রসেসের অবচেতনে mixed-up করি; এরপরে সচেতনে আমরা তা-ই দেখি যা ওইসব ইন্দ্রিয় উপাত্ত (sense data) এবং সহজাত ধারণার (innate ideas) সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।

তার মানে হচ্ছে, আমরা মনের চোখে আগে দেখি। কিংবা, চোখে যা দেখি সেটা যতটা চোখের তারচেয়ে অনেক বেশি মনের।

সেই হিসেবে আমার কাছে মনে হয় বুদ্ধিবাদই (rationalism) সঠিক।

এ সংক্রান্ত আমার একটি পোস্ট দেখতে পারেন: https://www.facebook.com/329273293873043/posts/2056616137805408/

Sawkat Al Imran: আমরা আমা‌দের ওলামা‌দের নিকট বু‌দ্ধি‌কে বর্গা দি‌য়ে‌ছি কি! আমার তো ম‌নে হয়, আমরা আমা‌দের ওলামা‌দের নিকট আমা‌দের বু‌দ্ধি‌কে বি‌ক্রি ক‌রে দি‌য়ে‌ছি।

ইদা‌নিংকা‌লে আমি পুরাতন এক‌টি কথা‌কে প্রায় মে‌নে নি‌য়ে‌ছি, যা আগে মো‌টেও মানতাম না। তা হ‌চ্ছে, আলেমদের রাজনী‌তি ও রাষ্ট্র প‌রিচালনার দা‌য়িত্ব নেওয়া ঠিক না। তা সে আলেম যত বড় বু‌দ্ধিজীবীই হোক না কেন। ‌‘আলেমদের রাজনী‌তি করা উচিত না’ এটি পুরাতন কথা এই কার‌ণে যে, অনেক আগে এটি আমি কোথাও শু‌নে‌ছিলাম।

Shofikur Rahman: এই পোস্টে মনের কথাগুলো ফুটে উঠেছে, যা একমাত্র বুদ্ধিজীবী মুসলমান বুঝতে পারবে।।

Mohammad Mozammel Hoque: মুসলমান মাত্রই তো বুদ্ধিজীবী (হওয়ার কথা)। কারো বুদ্ধিবৃত্তি যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সুসামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে জগৎ ও জীবন সম্পর্কে মৌলিক প্রশ্নগুলোর একমাত্র সঠিক জবাব তথা ইসলামকে তো কারো বুঝতে পারা ও জানতে পারার কথা নয়, when the proclamation of kalema-i tayyibah is the conclusive rational understanding of the person about the reality of his life and the world।

আর এই ধরনের মোস্ট পার্সোনাল এন্ড প্রপার রিয়েলাইজেশন ছাড়া শুধু শুধু মৌখিক আবৃত্তি, কিছু আচার-অনুষ্ঠান ও সামাজিক রীতিনীতি অনুসরণ করে একটা নির্দিষ্ট পরিচয় দাবি করা, ইসলামের দৃষ্টিতে এটি মূল্যহীন।

Shofikur Rahman: স্যার, আমি ইউরোপে। অনেক নন-মুসলিমের সাথে ধর্ম নিয়ে আলাপ করেছি। ওদেরকে কিছু বললে ওরা মনোযোগ দিয়ে শোনে। সমাপ্তিটাও হাসি দিয়ে শেষ হয়।

কিন্তু অনেক টাইটেলধারী আলেমের সাথে ধর্ম নিয়ে আলাপ করেছি। সমাপ্তিটা হয় রাগ দিয়ে, না হয় গালি দিয়ে। আর এটাই আমাদের বর্তমান আলেম সমাজের অবস্থা। শুধু টাইটেল হলেই ওরা নিজেকে বুদ্ধিজীবী মনে করেন। কিন্তু আমল, চিন্তাশক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে উনাদের ইসলামিক জ্ঞানের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।

Jahidul Zisan: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার।

আপনার জানা মতে, সঠিক তথ্য প্রদানকারী ও জনপ্রিয় একজন ইসলামিস্ট বুদ্ধিজীবী আলেমের নাম বলা যাবে কি?

Mohammad Mozammel Hoque: নিশ্চয়ই বলা যাবে। কিন্তু এভাবে বলা উচিত হবে না। ভালো বা মন্দকে আমরা বৈশিষ্ট্য দিয়ে চিনি, অর্থাৎ characterized করি; ব্যক্তিকে আইডেন্টিফাই তথা ট্যাগ করার পরিবর্তে। সেটাই ভালো।

Gulam Sarwar Chuwdhury: আহা স্যার! তাহলে তো ওনাদের সব দাওয়াত মিস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে! উনাদের অধিকাংশের জন্মই হয়েছে মনে হয় দাওয়াত খাওয়া, বিবি তালাকের ফতুয়া দেয়া ও সিন্নি খাওয়ার লাগি!

Mohammad Mozammel Hoque: আমি সব কমেন্টে লাইক দেয়ার চেষ্টা করি। তবে ট্রল করা তথা বিদ্রুপ করা পছন্দ করি না। আপনার মন্তব্যটাতে লাইক দিতে না পারার খেসারত হিসেবে এই কমেন্ট। আমি সবাইকে নিয়ে চলতে চাই। সমালোচনা সত্বেও।

Gulam Sarwar Chuwdhury: ঠিক বলছেন স্যার। জাযাকাল্লাহ খাইরান। ☺

লেখাটির ফেইসবুক লিংক

১টি মন্তব্য

  • স্যার, আমার মনে হয় আপনি Medium-এ লেখালেখি করলে ভালো হয়। আপনার ব্যক্তিগত blog থাকলো, পাশাপাশি Facebook-এর article refer না করে Medium এর article refer করলে বোধহয় ভালো হয়। Medium-এর reading experience টা-ভালো।

Leave a Reply