আমার মেজ আপা। শাহানুর বেগম। এমএ পাস করেছেন ১৯৭৯ সালে। চট্টগ্রামের শেরশাহ কলোনীতে অবস্থিত ইমারাতুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরি করেছেন দীর্ঘ ৩২ বছর। গৃহকর্মীদের সাথে মানবিক আচরণ সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর জীবনের একটি ঘটনা এবং কিছু পারিবারিক স্মৃতিচারণ নিয়ে এই সাক্ষাৎকার।
Similar Posts
ধুমপান সমাচার: যদি হতো সতের টাকা সিগারেট পঞ্চাশ টাকা জরিমানা
মেরুদণ্ডের অপারেশনের পরে গত মাসে ফিজিওথেরাপির জন্য রামপুরার একটা হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। সকাল সন্ধ্যায় থেরাপি নিতে হতো। মাঝে মাঝে…
বন্ধুগণ, কারা আছেন গালি দেন না কিম্বা দেয়ার লোভ সামলাতে পারবেন?
গালি দেয়া যাবে না। কোনো অবস্থাতেই না। গালি যাকে দেয়া হয় তার কাছে গালি পৌঁছে কিনা কিংবা সেই গালি…
আমাদের চট্টগ্রামে নারী অধিকার পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। মনটা তাই খুব খারাপ!
আমাদের বাড়ির (নাজিরহাট) কাছাকাছি এক বাড়িতে মেজবান খেতে গিয়েছিলাম। উনারা তিন ভাই মিলে একটি দালান বানিয়েছে। তিন ভাইয়ের জন্য…
বিবাহিত মেয়েরা কি আদৌ ফ্লার্টিং করে?
যদি না করে তাহলে সেটি অস্বাভাবিক ঘটনা। মাত্রাজ্ঞান থাকা সাপেক্ষে অ্যাডাল্ট নারী-পুরুষ পরস্পর পরস্পরের সাথে ফ্লার্ট করা একটা সুস্থ…
রাহেলার বাঁচার আকুতি
রাহেলা নামটা শুনলেই বুকের মধ্যে ছ্যাৎ করে উঠে। রাহেলা এক নিরীহ বস্ত্র শ্রমিক। নিহত। ৮-১০ বছর আগের ঘটনা। জাহাঙ্গীরনগর…
যৌতুকের বিষ ফোঁড়া
“লাখ লাখ অনূঢ়া মেয়ের মাতা ও পিতার চোখে ঘুম নেই আজ, ক’টা মুখ জ্বল-জ্বল করে ভুল সুখে” হ্যাঁ, যৌতুকের…
