যা নাই, আয়োজন করে তা থাকার প্রমাণ দিতে হয়

love grows,
it cannot be made.
when it is gone,
nothing can back it again.

প্রায় তিন দশকের শিক্ষকতা জীবনে কখনো স্টুডেন্টদেরকে ক্লাসে দাঁড়িয়ে সম্মান দেখানো অ্যালাও করি নাই। ভুলক্রমে বা অভ্যাসবশত কেউ দাঁড়িয়ে গেলে তখন তাকে ঠাট্টা করে বলি, ‌‍“তুমি যে আমাকে সম্মান করো, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে বলে তুমি মনে করো?” ­– তখন তারা লজ্জা পেয়ে বসে পড়ে।

পরীক্ষার হলে পরিদর্শক হিসেবে খাতা সাইন করার সময় কেউ দাঁড়িয়ে যাবে এই আশঙ্কা করে মাঝে মাঝে তাদেরকে আগেভাগেই বলে ফেলি, ‍“দাঁড়ানোর দরকার নাই। কষ্ট করে বসে থাকো।”

যা নাই, আয়োজন করে তা থাকার প্রমাণ দিতে হয়। দিবস পালনের ব্যাপারটাও সেরকম। এর মধ্যে আড়ম্বর আছে, নাই কোনো বাড়তি আন্তরিকতা। মানবিক সম্পর্কের ব্যাপারগুলো এমন, সেগুলো গড়ে ওঠে মানুষের ভিতর থেকে।

মানুষের জন্য মানুষের অন্তরে যে স্বতঃস্ফূর্ত ভালবাসা অথবা ঘৃণা, পছন্দ অথবা অপছন্দ, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো না কোনোভাবে পেয়ে যায়। কীভাবে যেন সেগুলো অটোমেটিক্যালি ফ্লেক্সিলোড হয়ে যায়, টেলিপ্যাথির মতকরে। সত্যিকারের মনোভাব কখনো গোপন করা যায় না।

জেনুইন যা কিছু গড়ে ওঠে তা অবশ্যম্ভাবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। যা নাই অথবা যা দুর্বল, তা ঘটা করে প্রচার করতে হয়। তাই তো ওই কথাটা বারবার বলি, love grows, it cannot be made.

সৈয়দ আলী আহসান স্যারের একটি কবিতা ইন্টারমিডিয়েটে পড়ার সময় দৈনিক ইত্তেফাকে পড়েছিলাম। কোথাও সেটি আর খুঁজে পাচ্ছি না। উনার বাদবাকি লেখার মতই দীর্ঘ কবিতা। সেটার শেষের অংশটুকু ছিল এরকম, যতটুকু মনে পড়ে,

‍“সমস্ত পৃথিবীকে দেখবে মিত্রের দৃষ্টিতে,
অকস্মাৎ উদ্ভাসিত চৈতন্যে আবিষ্কার করবে,
তারা তোমার, যেমন তুমি তাদের।
তোমার যাত্রা শুভ হোক।”

মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য

Belayet Hossain: আপনি যৌনতাকে এতো হাইলাইট করার কারণ কী? আমরাতো জানি এটাকে যত আলোচনার বাহিরে রাখা হবে ততই অশ্লীলতা কমবে।

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক: Ventilation prevents explosion.

Belayet Hossain: As a Muslim, we would like to ask you: Is it the right way to discuss the issue? And have our previous scholars of Islam handled the issue like this as you are handling nowadays?

If they didn’t do like this then you are just a photo copy of western secular thought and trying to do something in so called Islamic way.

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক: Apparently you are very much right. I agree with you, and in actuality, I am not a scholar. I don’t claim it. I am a teacher of philosophy, a Muslim in religion, a romantic guy in my personal life. ‌‘Social Activist’ is my identity. These all I do have at the same time. If you like it, it’s ok. If you don’t like it, I don’t have anything to say to you. Thanks for the comment and engagement. Do dua for us.

Belayet Hossain: Nice to hear your final statement! Thank you, sir!

Abdul Aziz Mahbub Enami: Here I’m sorry for interfering as a simple student but I couldn’t help replying it.

Some may consider any discussion on sex to be offensive and a breach of religious propriety and modesty, unaware that the Messenger of Allah (saw) himself explained this subject in considerable detail. Several hadiths describe how the Messenger of Allah (saw) taught men and women matters relating to sex.

Imam Bukhari and Imam Muslim (may Allah have mercy on them) both record a hadith in their Sahih collections, narrated by Abu Hurayra (R) in which the Messenger of Allah (saw) was teaching his Companions the rules of having a ritual bath, when he said: ”When a man sits amidst her four parts and then exerts pressure on her, a ritual bath becomes obligatory upon him.” (Sahih al Bukhari 287 & Muslim 348)

In this hadith, the Messenger of Allah (saw) describes explicitly how a man might have sex with his wife such that it necessitates a ritual bath of purification. There are numerous other examples which illustrate the frankness with which the Prophet (saw) discussed these matters.

The Companions also did not shy away from asking the Messenger of Allah (saw) questions of a sexual nature. In a famous incident, Sayyiduna ‘Umar ibn al-Khattab (R) asked the Messenger of Allah (saw) about the permissibility of penetrating one’s wife from behind i.e. penetrating the vagina, and not the anus. The Messenger of Allah (saw) did not rebuke him for asking an ‍“offensive” question, but waited until Allah Most High Himself revealed verses of the Qur’an to answer his question. (See: Sunan al-Tirmidhi 2980)

Remarkably, women also felt able to ask the Messenger of Allah (saw) questions of a sexual nature without any reluctance or being ashamed of such enquiry. Rather, the Messenger of Allah (saw) did not shy away from answering them, even though he was shy by nature.

Umm Salama (R) narrates: “Umm Sulaym (R) came to the Messenger of Allah (saw) and said, ‍“O Messenger of Allah, Surely, Allah is not shy of the truth. Is it necessary for a woman to take a ritual bath after she has a wet dream?” The Messenger of Allah (saw) replied, ”Yes, if she notices a discharge.” Umm Sulaym covered her face and asked, ‍“O Messenger of Allah! Does a woman have a discharge?” He replied, ‍“Yes, let your right hand be in dust [an Arabic expression said light-heartedly to someone whose statement you contradict], how does the son resemble his mother?” (Sahih al Bukhari 130)

Here, a woman has no qualms in asking the Messenger of Allah (saw) about something as intimate as a wet dream. Umm Sulaym’s statement ‍“Allah is not shy of the truth” is a clear indication that there is no shyness when it comes to learning about matters of D’in. The Messenger of Allah (saw) used this phrase himself when he prohibited anal sex, saying: ‍“Allah is not shy of the truth; do not enter women in their anuses.” (Sunan Ibn Majah 1924, Musnad Ahmad & others)

It is clear that there is nothing wrong in discussing this subject for instructional purposes, as long as it is done with decency. In fact, it is a mistake to shy away from the teachings of Allah Most High and the Messenger (saw) even those regarding sexual matters.

লেখাটির ফেইসবুক লিংক

একটি মন্তব্য লিখুন

প্লিজ, আপনার মন্তব্য লিখুন!
প্লিজ, এখানে আপনার নাম লিখুন

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকhttps://mozammelhq.com
নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলসফি পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। থাকি চবি ক্যাম্পাসে। নিশিদিন এক অনাবিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। তাই, স্বপ্নের ফেরি করে বেড়াই। বর্তমানে বেঁচে থাকা এক ভবিষ্যতের নাগরিক।

সম্প্রতি জনপ্রিয়

আরো পড়ুন

সেলফ ব্র্যান্ডিং: মানবিক পরিচয়ের মূলসূত্র

আমরা মানুষ। যেভাবেই হোক না কেন, আমরা সৃষ্টির সেরা। আমাদের এই শ্রেষ্ঠত্ব বুদ্ধির, জ্ঞানের, প্রযুক্তির, নৈতিকতার এবং বিশেষ করে আধ্যাত্মিকতার। এই বিশেষ মানবিক মর্যাদা...

নিরবতা ভেঙ্গে এসো হই উচ্চকণ্ঠ

আপনার আমার আশেপাশে বিরাজমান সমস্যাগুলোর ব্যাপারে কথা না বলার সুশীল ধারা হতে বের হয়ে আসতে হবে। অবশ্য এরমানে এই নয় যে, প্রত্যেকে সব বিষয়ে...

Paradox of Learning

Learning involves a Paradox. To do the right thing, proper knowledge is a must. On the contrary, improper knowledge makes one a misguided person. So,...