মানবীয় জ্ঞানের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা

সর্বশেষ

‌‘কেন’ প্রশ্নটি আমরা তুলতে পারি, কিন্তু তত্ত্ব বা অন্টলজি হচ্ছে, সব ‌‘কেন’র উত্তর আমরা পাই না, বা পেলেও কনসিভ করতে পারি না; আমাদের সত্তা বা অস্তিত্বগত সীমাবদ্ধতার কারণে।

যেসর ‌‘কেন’র উত্তর আমরা পাই না, সেগুলো হতে যেগুলো কোনো না কোনোভাবে আমাদের কাছে এপিয়ার্ড, সেগুলোকে আমরা এজ সাচ্ছ গ্রহণ করে নিবো ফান্ডামেন্টাল হিসেবে; আর যেসব ‌‘কেন’ অজ্ঞেয় সেগুলোর ব্যাপারে আমাদের একমাত্র যুক্তিসংগত পজিশন হচ্ছে নিরপেক্ষ বা withhold পজিশন গ্রহণ করা।

ফল কথা হলো, আমরা জানি। অথচ, আমরা সবকিছু জানি না। তো, সব কিছু জানার জন্য এই তৃষ্ণা আমাদের প্ররোচিত করে ঈশ্বরের মতো কোনা সর্বজ্ঞ সত্তাকে খুঁজে নিতে, যাতে করে তাঁর কাছ হতে আমরা সেসব কিছু জানতে পারি, যা আমরা নিজে নিজে সঠিকভাবে জানি না।

আমাদের এই জ্ঞানগত ক্ষমতাটা অদ্ভূত। আমরা আমাদের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারি।

এই মানবীয় জ্ঞানগত সীমাবদ্ধতাকে অস্বীকার করতে চাওয়া হলো অডাসিটি বা ঔদ্ধত্য।

লেখাটির ফেইসবুক লিংক

একটি মন্তব্য লিখুন

প্লিজ, আপনার মন্তব্য লিখুন!
প্লিজ, এখানে আপনার নাম লিখুন

নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলসফি পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। থাকি চবি ক্যাম্পাসে। নিশিদিন এক অনাবিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। তাই, স্বপ্নের ফেরি করে বেড়াই। বর্তমানে বেঁচে থাকা এক ভবিষ্যতের নাগরিক।

সম্প্রতি জনপ্রিয়

আরো পড়ুন

যুক্তি বলে বুদ্ধিবাদই সঠিক

law of identity বা সত্তাগত স্বাতন্ত্র্যতার সূত্রানুযায়ী অন্য কোনো ভেরিয়েবল বা শর্তের পরিবর্তন ব্যতিরেকে কোনো কিছু একইসাথে একাধিক সত্তা বা অস্তিত্বসম্পন্ন হবে না। তারমানে,...

Multiplicity of the understanding of truth, does not mean that truth itself is multiple

প্রশ্নটা ছিল ‌‘ঠিক-বেঠিক আর ভুলশুদ্ধের মাঝে পার্থক্য কী?’ একজন উত্তর দিয়েছেন, ‌‘পার্থক্য হলো আপনার অনুসরণ করা স্কেল। অন্যের স্কেলে যা ঠিক, আপনার স্কেলে তা বেঠিকও...

আক্বল তথা বুদ্ধি বনাম নক্বল তথা অন্ধ অনুসরণ

আক্বল হলো সকল জ্ঞানের ভিত্তি। আমাদের আক্বল যখন কাউকে বা কোনো সূত্রকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্য জ্ঞানের অথরিটি হিসেবে গ্রহণ করতে বলে তখন আমরা ওই...